শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

নারীদের হাতের তৈরি ব্যাগ যাচ্ছে ইউরোপ -আমেরিকা

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর ( নীলফামারী ) প্রতিনিধি : শিল্পী রানী ও ফাতেমা বেগম, কাজ করেন সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। সেখানে নিজের হাতে চট ও কাপড়ের ব্যাগ বানান তারা। এসব ব্যাগ আবার রপ্তানি হয় ইউরোপ-আমেরিকায়। এ কাজে ভাগ্য ঘুরেছে তাদের। জমি কেনা, সন্তানদের শিক্ষিত করার মতো কঠিন কাজও সহজে করতে পারছেন তারা। সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:৪৬

নাজমুল হুদা : সৈয়দপুর ( নীলফামারী ) প্রতিনিধি :

শিল্পী রানী ও ফাতেমা বেগম, কাজ করেন সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। সেখানে নিজের হাতে চট ও কাপড়ের ব্যাগ বানান তারা।

এসব ব্যাগ আবার রপ্তানি হয় ইউরোপ-আমেরিকায়। এ কাজে ভাগ্য ঘুরেছে তাদের। জমি কেনা, সন্তানদের শিক্ষিত করার মতো কঠিন কাজও সহজে করতে পারছেন তারা।

সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস নামে প্রতিষ্ঠানটি নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকায়। এ প্রতিষ্ঠানে যেসব নারী কাজ করেন তারা সবাই প্রায় স্বাবলম্বী। এ প্রতিষ্ঠানে সব নারীই কারিগর, আবার সবাই মালিক।

সবাই মিলে তৈরি করেন চটের আকর্ষণীয় ব্যাগ। স্ক্রিন প্রিন্ট থেকে প্যাকেজিং সবকিছুই করেন। ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেসে তৈরি ব্যাগগুলো রপ্তানি হয়। এ থেকে যে আয় হয়, সেখান থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ পান নারী কর্মীরা।

নারীরা ছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে হাতে গোনা কয়েকজন পুরুষ কর্মী। তারাও এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। সংসার চালিয়ে কিছু সঞ্চয় করছেন। সুযোগ-সুবিধাও পাচ্ছেন বেশ।

১৯৯৫ সালে গড়ে ওঠে সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস। ছয়তলা ভবনটি অসহায় ও দুস্থ নারীদের জমাকৃত অর্থে নির্মিত। সমাজের অবহেলিত নারীরা এখানে কাজ শুরুর আগে বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতেন। সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেসের নারী কর্মীর সংখ্যা ১৬০। সময় ধরে নিজ প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর ঘরেও কিছু নিয়ে যান। বাড়ি বসে তৈরি করেন বিভিন্ন রঙের-ঢঙের ব্যাগ। এসব ব্যাগ তৈরির মজুরি হিসেবে দৈনিক অন্তত ৬০০ টাকা আয় করেন।

শিল্পী রানী ও ফাতেমা বেগম নতুন বাবুপাড়া থেকে এসে সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেসে কাজ করেন। তারা জানান, এখানে কাজ করে তাদের সংসার বেশ ভালো চলছে। বছর শেষে ভালো লভ্যাংশ মেলায় জমি-জমি কেনা ও ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াও করাতে পারছেন। প্রতিনিয়ত কাজ থাকে বিধায় পারিশ্রমিকও নিয়ম মতো পেয়ে থাকেন। তারা নিজেরাই এ প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্মচারী, ফলে এনজিওর ঋণ নিতে হয় না।

প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী ব্যবস্থাপক আরমান আলী বলেন, এখানে বাজার ব্যাগ, লন্ড্রি ব্যাগ, ডল ব্যাগ, লাঞ্চ ব্যাগ, কসমেটিক ব্যাগসহ পুরনো শাড়ি কাপড়ের ব্যাগ তৈরি করেন নারীরা। ব্যাগগুলো মজবুত, টেকসই ও উন্নতমানের। ঢাকা থেকে উন্নতমানের পাটের চট সংগ্রহ করে এসব ব্যাগ তৈরি করা হয়। অর্ডার অনুযায়ী ব্যাগগুলো আমেরিকা, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, জাপান, কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়।

 

প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী ব্যবস্থাপক আরমান আলী বলেন, এখানে বাজার ব্যাগ, লন্ড্রি ব্যাগ, ডল ব্যাগ, লাঞ্চ ব্যাগ, কসমেটিক ব্যাগসহ পুরনো শাড়ি কাপড়ের ব্যাগ তৈরি করেন নারীরা। ব্যাগগুলো মজবুত, টেকসই ও উন্নতমানের। ঢাকা থেকে উন্নতমানের পাটের চট সংগ্রহ করে এসব ব্যাগ তৈরি করা হয়। অর্ডার অনুযায়ী ব্যাগগুলো আমেরিকা, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, জাপান, কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়।

প্রতিষ্ঠানটির হিসাব শাখার ব্যবস্থাপক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আমাদের এখানে তৈরি ব্যাগগুলো রপ্তানি করে গত অর্থবছরে সাড়ে ৪ কোটি টাকা আয় হয়েছে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সময় ব্যবসায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু আমাদের এখানে যেসব নারী কাজ করেন তারা নিজের কর্মগুণে সেই ক্ষতি পূরণ করেছেন। চলতি অর্থবছরে আয় ৫ কোটি টাকা ছড়িয়ে যাবে বলে আশা করেন ইশতিয়াক আহমেদ।

তিনি সরেজমিনে সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেস ঘুরিয়ে দেখান বাংলানিউজকে। দেখা যায়, ছয়তলার প্রতিটি কক্ষেই নারীরা কাজ করছেন। কাটিং, সেলাই, স্ক্রিন প্রিন্ট, বোতাম লাগানোসহ প্রতিটি কাজেই তারা সিদ্ধহস্ত। তারা ব্যাগের পিস হিসেবে মজুরি ও বছর শেষে লভ্যাংশ পেয়ে থাকেন বলেও জানান ইশতিয়াক।

প্রতিষ্ঠানটি বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ম্যানেজার রাশেদ আহমেদ বলেন, আমরা মূলত কম্পিউটারে ডিজাইন দেখাই বা নারীদের চাহিদা ও নকশা অনুযায়ী ব্যাগ সরবরাহ করে থাকি। আমাদের তৈরি ব্যাগগুলো জাহাজের মাধ্যমে রপ্তানি।

এ কারণে কয়েকটি অসুবিধাও হয়। আগে ৩৫ দিনের মতো সময় লাগলেও এখন অন্তত ৭৫ দিন সময় ব্যয় হয় রপ্তানিতে। ফলে ব্যয় বাড়ছে, বায়ারদের আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজেসের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মাসুম ইবনুল খান বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য। এখানে অসহায়, দুস্থ নারীরা পাটশিল্পের ব্যাগ তৈরি করে সমাজে অবদান রাখছেন। তারা কাজে খুবই আন্তরিক। ফলে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয়তার উচ্চ শিখরে পৌঁছেছে। এই প্রতিষ্ঠানটিতে শতকরা ৯০ ভাগ নারী ও ১০ ভাগ পুরুষ কাজ করেন। ৬০ বছর বয়স হলে তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে বাছাই করে নারীদের নিয়োগ করা হয়। এ কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকে বলেও জানান তিনি।

বানিজ্য

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন […]

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৭

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে পাঠানো ওই চিঠিতে নগদের বর্তমান অবস্থান মূল্যায়নের জন্য অডিট পরিচালনার সুযোগ চাওয়া হয়। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

প্রয়াত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে আরমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রায় আট বছর গুম ছিলেন। ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে অপহৃত হন এবং ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট— শেখ হাসিনা সরকারের পতনের একদিন পর মুক্তি পান তিনি। যুক্তরাজ্যে আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া এই আইনজীবী কথিত ‘আয়নাঘর’-এ আটক থাকা ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘বিনিয়োগে সহায়তা করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ। দেশি-বিদেশি বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন এবং তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে নগদের অডিট করতে চায়।’

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আগ্রহ রয়েছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে কয়েকজন বিদেশি বিনিয়োগকারী এতে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকা নগদকে যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তরের পরিকল্পনার কথা তিনি জেনেছেন। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক, পরিচালনাগত সক্ষমতা, ঝুঁকি, শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, নগদ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কোনোটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার মতো নয়। অন্তর্বর্তী সরকার নগদকে আবার বেসরকারি খাতে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নতুন সরকার। নগদ বর্তমানে সরকারের মালিকানাধীন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল এটি পরিচালনা করছে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করা নগদ এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্থায়ী লাইসেন্সে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া ফরেনসিক অডিটর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে আগের ব্যবস্থাপনার সময়ে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণ পায়।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।