শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে, ঘুরছে ভাগ্যের চাকা

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: দিঘীরপাড়, নদীর ঘাটে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন জাফর মোল্লা। ছোট একটি নৌকা ভিড়তেই শুরু হলো হাঁকডাক ‘যাবেন না-কি’। পেয়ে গেলেন দুই যাত্রী। ছুটলেন বালুর পথ ধরে ধুলো উড়িয়ে। ব্যাক্তিগত মটোরসাইকেলের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে অন্তত তিন শতাধিক ভাড়ায় চালিক মোটরসাইকেল চালকের । এতে ভোগান্তি কমেছে চরবাসীর। তারা এখন নদীর পাড় থেকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৪, ১১:০৫

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দিঘীরপাড়, নদীর ঘাটে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন জাফর মোল্লা। ছোট একটি নৌকা ভিড়তেই শুরু হলো হাঁকডাক ‘যাবেন না-কি’। পেয়ে গেলেন দুই যাত্রী। ছুটলেন বালুর পথ ধরে ধুলো উড়িয়ে।
ব্যাক্তিগত মটোরসাইকেলের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে অন্তত তিন শতাধিক ভাড়ায় চালিক মোটরসাইকেল চালকের । এতে ভোগান্তি কমেছে চরবাসীর। তারা এখন নদীর পাড় থেকে চর পাড়ি দিচ্ছেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে চেপে।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষিকাজের পাশাপাশি বেকারদের একমাত্র ভরসা মোটরসাইকেল, এলাকার মানুষের একমাত্র আয়ের পথ।  কিন্তু এখন মোটরসাইকেল চালিয়েও সংসার চালান অনেকে।
কথা হয় দিঘীরপাড় ইউনিয়নের নদীর ঘাটে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যুবক আল-আমিনের সাথে তিনি বলেন,  প্রতিদিন ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা আয় হয়। তবে তেল ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে সব মিলিয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা থাকে।
তিনি আরও বলেন, এখানে মোটরসাইকেল চালানো খুব সহজ কাজ নয়। উঁচু-নিচু বালুর রাস্তায়  বাইক চালাতে খুব কষ্ট হয়। গা হাত পায়ে পুরো ধুলো পড়ে সাদা হয়ে যায়।
শরীয়তপুরের নড়িয়ার নওপাড়ার কামাল শেখ বলেন, মোটরসাইকেলে তিনটি জেলাকে যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি বন্ধন তৈরি করেছে। আমরা মুন্সিগঞ্জ দিঘীরপাড় থেকে শরীয়তপুরের কাচিকাটা নওপাড়া চরআত্রা কুন্ডের চর, চাঁদপুরের এলামচর খুব সহজেই মোটরসাইকেলে যাতায়াত করতে পারি, নৌকা ট্রলারে ঘন্টার পর ঘন্টা আমাদের বসে থাকতে হয়।
এসময় কয়েকজন মটোরসাইকেল চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  ভোর থেকে শুরু হয়ে রাত ৯ টা পর্যন্ত চলে এই চরে মোটরসাইকেল চলাচল । আবার কারো জরুরী প্রয়োজনে ফোন করলে  যাওয়া হয় গভীর রাতেও। স্থান ভেদে নির্ধারন করা হয় ভাড়া তবে দুজন যাত্রীর জন্য যে ভাড়া একজনের খেত্রেও নেওয়া হয় একি। সারাদিন যাত্রীদের আসা যাওয়ার উপর নির্ভর করে তাদের আয়।
গত ১০ বছর ধরে ধু-ধু চরে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন বাংলাবাজারের আসিক টালী নামের আরেক যুবক তিনি বলেন, এই চরের মানুষ তাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কাজে এই পারে পার হন কেউ আইনি কাজে আসেন কেউ চিকিৎসার জন্য আবার কেউ অতি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পত্র কিনতে আসেন। এই দিঘীরপাড়ের  ঘাটে  প্রতিদিন কয়প হাজার মানুষ আসা যাওয়া করে বলেও জানান তিনি ।
জাকির হোসেন নামের এক মটোরসাইকেল আরোহী জানান, মুন্সীগঞ্জ  সদর উপজেলা রামপাল  এলাকায় খালার বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন তারা। তাই মোটরসাইকেলে চর পাড়ীদিয়ে ঘাটে দাড়িয়ে থাকা আটোগাড়িতে উঠেছেন তিনি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা  শরিফুল ইসলাম জানান, প্রশব জনিত ব্যাথা নিয়ে স্ত্রী মারিয়াকে নিয়ে রাতে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন তিনি। এসময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন কবে যে যোগাযোগ ব্যাবস্থার  উন্নতি  হবে, তাহলে আমরা একটু শান্তি পাই।
এসময় যাত্রীদের অপেক্ষায় ঘাটে দাড়ি থাকা কিরন নামের এক আটো চালকের সাথে কথা হয় তিনি জানান, ১০ বছর ধরে তিনি নদীর ঘাট থেকে চরের মানুষকে জেলা শহরে পৌঁছেদেওয়ার কাজ করছেন বিনিময়ে ভাড়া নিচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
তার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানালেন, মটোরসাইকেল এসে এখন চরের মানুষ খুব আরামে আছে যখন ইচ্ছে আসা যাওয়ার করতে পারছে। কি ধরনের যাত্রী বেশি হয় তার কাছে যানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কোর্টের আর হাসপাতালে যাত্রী বেশি হয় তাছাড়া আত্মীয় বাড়ির কিছু থাকে।
এলাকার মানুষের ভোগান্তির কথা, অসুস্থ কিনবা আইনি সহায়তা সব কাজেই এই অঞ্চলের মানুকে পোহাতে হয় যোগাযোগে দুর্ভোগ। যাতায়াত ব্যাবস্তা না থাকায় দূর্গম এসব চরের মানুষকে মূল ভূখন্ডের জেলা সদর কিনবা উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগে বালু চর পাড়ি দিতে হয় এখন দুই চাকার মোটরসাইকেলে।
এছাড়া  নৌকায়। টঙ্গীবাড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আরিফুল ইসলাম হালদার বলেন,দিঘীরপাড়ের একটি সেতুর অভাবে মানুষের কত দুর্ভোগ, সেটি আমি নিজের চোখে প্রতিনিয়ত দেখছি।
সেতু নির্মাণের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার জানিয়েছি। যতদূর জানতে পেরেছি এখানে খুব শিগগিরই একটি সেতু নির্মাণ করা হবে। সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে।
তবে তিনি আর ও বলছেন কয়েকটি স্থানে ব্রিজ ও পাকা রাস্তা নির্মাণ সম্ভব হলে তাদের কষ্ট কমে আসবে।
টঙ্গিবাড়ি উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম বলেন,নদীর পশ্চিম পাশে ৪ কিলোমিটারের একটি আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।