বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত এক মার্কিন কূটনীতিক। কয়েকজন নারী সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে দেওয়া এই বক্তব্যের একটি অডিও পেয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, অডিওতে ওই কূটনীতিককে বলতে শোনা যায়—বাংলাদেশ ক্রমেই ইসলামপন্থার দিকে ঝুঁকছে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন পেতে পারে। এমন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়।
ঢাকাভিত্তিক ওই কূটনীতিক বলেন, “আমরা চাই তারা আমাদের বন্ধু হোক।” তিনি ছাত্রশিবিরের নেতাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আনার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি আশ্বস্ত করেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশে শরীয়াহ আইন চালু করবে না।
তবে যদি শরীয়াহ আইন কার্যকর করা হয়, সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পোশাক শিল্পে কঠোর বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র মোনিকা শিই জানান, এটি নিয়মিত অনানুষ্ঠানিক আলোচনার অংশ ছিল এবং এসব আলোচনা সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। অপরদিকে জামায়াতের মুখপাত্র মোহাম্মদ রহমান বলেন, কূটনৈতিক বৈঠক নিয়ে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন না, তবে সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন ও ঢাকায় একাধিক বৈঠক হয়েছে।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?