বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ডিসি আমাকে কোন এখতিয়ারে শোকজ করে : রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ডিসি আমাকে কেন শোকজ করে? ডিসি কেন আমাকে আদেশ দেয় সশরীরে উনার কাছে হাজির হতে। উনি কি তা পারেন? এই প্রশ্নটা আইন অনুযায়ী সাংবাদিকদের সামনে রাখছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচনী তদন্ত কমিটির একটি আছে, তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারবে। নির্দেশ দেবে কমিশন, নট ডিসি। ডিসির যেই চিঠি যেটা […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:১০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ডিসি আমাকে কেন শোকজ করে? ডিসি কেন আমাকে আদেশ দেয় সশরীরে উনার কাছে হাজির হতে। উনি কি তা পারেন? এই প্রশ্নটা আইন অনুযায়ী সাংবাদিকদের সামনে রাখছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচনী তদন্ত কমিটির একটি আছে, তাদের কাছে প্রেরণ করতে পারবে। নির্দেশ দেবে কমিশন, নট ডিসি। ডিসির যেই চিঠি যেটা আমি পাই নাই, যেটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই চিঠিটা তিনি কোন এখতিয়ারে দিলেন?

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে করা জরিমানা, ইউএনওর চিঠি ও ডিসির শোকজের বিষয়ে রুমিন ফারাহানা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

রুমিন ফারাহানা বলেন, গত ১৭ জানুয়ারি আমাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগেও আমাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। জরিমানা মানে আমার অপরাধের শাস্তি। তারপর সরাইল উপজেলার ইউএনও, তিনি বিচারিক কমিটির কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। এর মানে আমার এক অপরাধে দুটি শাস্তি হয়েছে। এখানেই থামলো না, ৩ নম্বর শাস্তি হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ডিসি তিনি আবার আমাকে একটি শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছেন যেটি এখনো আমি পাইনি, সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে দেখেছি। এক অপরাধের জন্য আমাকে তিনটা শাস্তি দেওয়া হলো।

প্রশাসনের পক্ষপাতের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গিয়েছিলাম। সেখানে বিএনপির জোটের প্রার্থী তিনি কীভাবে জনসভা করে বেড়াচ্ছেন। জোনায়েদ আল হাবিবের ফেসবুক প্রোফাইলে গেলেই তার সভার নমুনাগুলো দেখা যাবে। আর আমি একটা হ্যান্ডমাইক নিয়ে চলি। শুধু তাই নয়, বিএনপির জোট প্রার্থী শাহবাজপুরে গরু জবাই করে মানুষ খাইয়েছেন।

এ সমস্ত দলিল যখন আমি ডিসি সাহেবকে দেখালাম, উনাকে বিনীতভাবে প্রশ্ন করলাম যে আমি তো এখনো অব্দি ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, বিএনপি জোটের প্রার্থী কত টাকা জরিমানা দিয়েছে? আমি দেড় ঘণ্টা উনার সামনে বসে থেকেও অঙ্কটা জানতে পারলাম না। তার মানে এ সমস্ত ডকুমেন্ট (জোটের প্রার্থীর প্রচারণার প্রমাণ) ভিডি ও ফটো যেখানে রয়েছে, সেখানে ১ টাকাও তাকে জরিমানা করা হয়নি।

এটা আমি ধরে নেব তাহলে এই প্রশাসনের অধীনে আমি কেমন করে নির্বাচন করি। যারা অলরেডি পক্ষপাত করছে। আপনারা আমাকে বলেন নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডটা কোথায় আছে। এই ডিসি, এই ইউএনওর অধীনে আমি কি বিচার পাব। এই প্রশ্ন সাংবাদিক ভাইদের কাছে রাখছি।

নির্বাচনে আচরণবিধির রেফারেন্স টেনে রুমিন ফারাহানা বলেন, রুমিন ফারহানা ও মমতাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। আমাকে বলা হয়েছে, রুমিন ফারহানা হচ্ছে টিস্যু পেপার যাকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। টিস্যু পেপার যেমন কাজে লাগে না, রুমিন ফারহানার এখন কোনো কাজ নাই। এই ধরনের উস্কানিমূলক, আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছে। আমি গত ১৩ তারিখ ডিসি সাহেবকে জানিয়েছে। কিন্তু এখনো অব্দি ডিসি সাহেব কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কি না আমার জানা নাই।

হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নির্বাচনের যে সার্বিক পরিস্থিতি আমি দেখছি, প্রশাসন যদি ২০১৮ সালের মতো কাজ করে এই নির্বাচন সুষ্ঠ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং আমি নির্বাচন কমিশনকে বলব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এর ব্যাপারে, আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, একজন আইনজীবী এবং একজন স্বতন্ত্র

প্রার্থী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ করব ডিসি সাহেব কোন এখতিয়ারে আমাকে উপস্থিত হতে বললেন এবং না হলে তিনি যে ব্যবস্থা নেবেন এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেবেন। কারণ ডিসি, এসপি, ইউএনওসহ প্রশাসন এখন পর্যন্ত পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের অধীনে, সেহেতু নির্বাচন কমিশনের কাছে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রশ্ন রাখলাম।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫