শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ ও সংশয় ছড়ানোদের নজরদারিতে রেখেছে সরকার : প্রেসসচিব

নির্বাচন নিয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, সরকার তাদের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, কারা এই সন্দেহ ছড়াচ্ছেন, তাদের অতীত ভূমিকা কী ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন—সবকিছু সরকারের কাছে স্পষ্ট।

নিউজ ডেস্ক

০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:০৫

নির্বাচন নিয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, সরকার তাদের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, কারা এই সন্দেহ ছড়াচ্ছেন, তাদের অতীত ভূমিকা কী ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন—সবকিছু সরকারের কাছে স্পষ্ট।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রেসসচিব।

শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র ৩৭ দিন বাকি রয়েছে এবং সরকার এই নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রস্তুত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি পরপর তিনটি বড় জাতীয় আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করায় বাহিনীগুলোর সক্ষমতা আরও সুসংহত হয়েছে। তার ভাষায়, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় পরিসরে এমন আয়োজন খুব কমই হয়েছে।

তিনি জানান, পোস্টাল ব্যালটে এবার অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। অনলাইন মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে দেশের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত প্রায় সাত লাখ ব্যক্তি সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না।

প্রার্থীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর আলোচনা হয়েছে। যেসব প্রার্থীর নিরাপত্তা প্রয়োজন, তাদের অনেককেই ইতোমধ্যে গানম্যান দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পুলিশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেই রয়েছে। তিনি বলেন, অনেক সময় নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিরা নিজেরাই বিষয়টি প্রকাশ করতে চান না।

প্রেসসচিব আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং এ বিষয়ে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে কেউ নিরাপত্তার আবেদন করলে পুলিশ প্রয়োজন অনুযায়ী তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেবে।

ভোটের গাড়ি কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ব্যাপক সাড়া পাওয়ায় ক্যারাভানে গাড়ির সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করা হচ্ছে। নতুন করে আরও ২০টি গাড়ি আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে মাঠে নামবে এবং এই কার্যক্রম চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এসব গাড়ির মাধ্যমে মোট ৩০টি টিভিসি প্রচার করা হবে এবং কিছু গাড়ি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করবে।

ট্যাগ:

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।