ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন,
এবারের নির্বাচন চাঁদাবাজি, ভাওতাবাজি, মামলা বাণিজ্য, জমি দখল, দোকান দখল ও টেম্পুস্ট্যান্ড দখলের রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট লড়াই। সম্প্রতি নিজ নির্বাচনী এলাকায় আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে রুমিন ফারহানাকে বলতে শোনা যায়, এবারের নির্বাচন হবে সাধারণ মানুষের পক্ষে এবং গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। তিনি বলেন,
এই নির্বাচনে যদি কেউ ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, এই বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তিনি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ১৯টি ইউনিয়নের কোনো নেতাকর্মী, ভোটার বা সমর্থককে যদি ভয় দেখানো হয়, তাহলে তিনি কঠোর অবস্থানে যাবেন। কেউ যদি মনে করে রুমিন ফারহানার পেছনে কোনো দল নেই এবং তাকে চাপে ফেলা যাবে, তাহলে সেটি হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন,
তিনি শেখ হাসিনা কিংবা কোনো প্রশাসনকেই এক মিনিটের জন্যও ভয় করেননি। ফলে কোনো দল বা গোষ্ঠী যদি মনে করে তার পাশে কেউ নেই, তাহলে তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চান যে, সরাইল-আশুগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ তার পাশে রয়েছে। তার ওপর বাবা-মা ও মুরুব্বিদের দোয়া রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব নির্বাচন করছেন।