শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নিরাপদ বাংলাদেশ ও ‘এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা’র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

তারেক রহমান এলেন, দেখলেন। তবে জয় কতটুকু করলেন, এটি আপাতত তোলা থাক। রাজধানীর ৩০০ ফিটের মঞ্চে তার দেয়া ভাষণে উঠে এসেছে জাতীয়তাবাদ, পাহাড়-সমতলের মেলবন্ধন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, দেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে সাম্যের প্ল্যাটফর্ম তৈরির বার্তা। দেশের ইতিহাসকে না ভুলে আগামীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে ইচ্ছে, সেটিও প্রতিফলিত হয়েছে তার কথায়। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান, দেশের অর্থনৈতিক […]

নিরাপদ বাংলাদেশ ও ‘এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা’র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

নিরাপদ বাংলাদেশ ও 'এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা'র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২১

তারেক রহমান এলেন, দেখলেন। তবে জয় কতটুকু করলেন, এটি আপাতত তোলা থাক। রাজধানীর ৩০০ ফিটের মঞ্চে তার দেয়া ভাষণে উঠে এসেছে জাতীয়তাবাদ, পাহাড়-সমতলের মেলবন্ধন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, দেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে সাম্যের প্ল্যাটফর্ম তৈরির বার্তা। দেশের ইতিহাসকে না ভুলে আগামীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে ইচ্ছে, সেটিও প্রতিফলিত হয়েছে তার কথায়। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান, দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির নেপথ্যে প্রাণ হারানো সেই দেশপ্রেমিকদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক দীপ্তিময় ইচ্ছেশক্তিও জ্বলজ্বল করতে দেখা গেছে তার চোখে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তাকে বহনকারী বিমানটি সিলেটে অল্প সময় যাত্রাবিরতি দিয়ে রাজধানীর পথে ফের উড্ডয়ন করে। ঢাকায় বিমানটি অবতরণ করে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে। সেখানে তার জন্য আগে থেকেই আয়োজিত ছিল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

মূলত, সময়ের হিসাবে ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর দেশের মাটিতে ওঠা সূর্যের আলোয় অবগাহন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ঘরে ফেরা, জনসাধারণের উদ্দেশে দেশ গড়ার বার্তা, মা কে দেখতে হাসপাতালে যাওয়া— সবকিছুই ছিল আজ ‘টক অব দ্য টাউন’।

বিমানবন্দর থেকে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে তারেক রহমান বাইরে আসেন। রাস্তার পাশে সারি সারি গাঁদা ফুলে সজ্জিত ছোট্ট বাগান দেখে মন হয়তো আঁকুপাঁকু করছিল। পাদুকা খুলে পা রাখেন মাটিতে। কিছুক্ষণ খালি পায়ে হাঁটেন শিশিরভেজা ঘাসে। হাতে তুলে নেন এক মুঠো মাটি। তার চোখে মুখে তখন দেখা যাচ্ছিল আনন্দের ঝর্ণাধারা।

এরপর প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান। বলেন, নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তার জন্য। এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি।

তিনি রওনা দেন অপেক্ষায় থাকা নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে। মঞ্চে বলেন, এখন সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। আমরা সবাই মিলে এমন একটা বাংলাদেশ গড়ব যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন একজন মা। আমরা দেশের শান্তি চাই।

মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ এর অনুকরণে দেশ ও জাতিকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানান তারেক। বলেন, দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি (দেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য আমার একটি পরিকল্পনা রয়েছে)। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, গত ১৫ বছর মা, বোন, তরুণ প্রজন্ম কীভাবে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে। জুলাই যোদ্ধা, সময়ের সাহসী সন্তানকে হত্যা করেছে। ওসমান হাদিসহ যারা শহীদ হয়েছে যদি তাদের প্রত্যাশিত দেশ গড়তে পারি তাহলে দেশ গড়া সম্ভব। ধৈর্য ধরতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে এসে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

এদিন বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামীনের দরবারে হাজারো লক্ষ-কোটি শুকরিয়া আদায় করছি, অশেষ রহমতে প্রিয় মাতৃভূতিমেক ফিরে আসতে পেরেছি আপনাদের মাঝে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘৭১ এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ, সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।’

শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে। গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।’

এরপর তার গাড়িবহর এগোতে থাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে। মা তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে রওনা দেন তিনি। তবে নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে তাকে বহনকারী গাড়ি হাসপাতালে পৌঁছতে দেরি হয়। পথে সড়কের দুই পাশে ছিল হাজারো নেতাকর্মী। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য সড়কে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছিলেন তারা। তারেক রহমানও নেতাকর্মীদের প্রতি হাত নেড়ে এই ভালোবাসার জবাব দেন।

সন্ধ্যা ৫টা ৫৩ মিনিটে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৩

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৩

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৩

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৮