শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ

নূরুল আলম কামাল, নেত্রকোনা : নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলে মানুষের প্রধান আয়ের উৎস ধান উৎপাদন। ধান উৎপাদন করে আয়ের টাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারের ব্যয়সহ সকল খরচ বহন করা হয়। এসব ফসল রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প কমিটি ও কাজ শুরু হচ্ছে না। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:২৮

নূরুল আলম কামাল, নেত্রকোনা :

নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলে মানুষের প্রধান আয়ের উৎস ধান উৎপাদন। ধান উৎপাদন করে আয়ের টাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারের ব্যয়সহ সকল খরচ বহন করা হয়। এসব ফসল রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

গত কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প কমিটি ও কাজ শুরু হচ্ছে না। তবে পাউবো’র দাবি হাওরের পানি নামতে বিলম্ব হওয়ায় বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করতে দেরি হচ্ছে। প্রশাসন বলছে নির্মাণ কাজ শুরু করতে দেরি হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

এ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ফসলহানির আতঙ্ক বিরাজ করছে। নেত্রকোনা পাউবো ও কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাওরে এক সময় ঠিকাদারদের মাধ্যমে ফসল রক্ষার বাঁধ নির্মাণ করা হতো। ২০১৭ সালে হাওরে ব্যাপক ফসল হানি হওয়ার পর বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

এরপর পাউবো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেন। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য প্রকৃত কৃষক স্থানীয় সুবিধাভোগীদের নিয়ে ৫ থেকে ৭ সদস্যের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী একটি পিআইসি সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার কাজ করতে পারেন। নেত্রকোনা জেলার অধীনে ৩৬৫ কিলোমিটার অস্থায়ী ডুবন্ত বাঁধ রয়েছে।

এসব বাঁধের উপর হাওরে কৃষকদের প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর জমির ব্যুরো ফসল নির্ভর করে। এ বছর বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য এখনও প্রকল্প নির্ধারণ হয়নি। গতবছর জেলায় ১৯১ টি প্রকল্পে ১৭৩ কিলোমিটার ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

এতে প্রায় ৩৫কোটি টাকার বেশী ব্যয় হয়। হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য ৩০অক্টোবর প্রকল্প নির্ধারণ করে ৩০নভেম্বর পিআইসি কমিটি গঠন করতে হয়।

১৫ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ২০ডিসেম্বর পর্যন্ত পাউবো বাঁধের সার্ভের কাজ চলমান থাকায় প্রকল্প নির্ধারণ করতে পারেনি। এ কারণে প্রকল্পও অনুমোদন হয়নি। ফলে বাঁধের কাজ শুরু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।কৃষকরা বলছেন-আজ ডিসেম্বরের ২১তারিখ।

এখন ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ পুরোদমে চলার কথা। কিন্তু পাউবোর লোকজন মাপামাপি করছে। বাঁধের কাজ শুরুই হয়নি কবে শেষ করবে আল্লাহই ভাল জানেন। যেভাবে ঢিলেমিশি হচ্ছে সময় মতো কাজ সম্পন্ন করা তো দূরের কথা আগাম বন্যা হলে কিছু বাঁধ ফসলহানির কারণ হতে পারে। 

কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর এলাকার হৃদয়, মনকান্দা গ্রামের হোসেন, বারহাট্রা উপজেলার মোহনপুর গ্রামের নিওন আহমেদ, মনির হোসেন পাঠান, মোহনগঞ্জ উপজেলার বেতাম গ্রামের মাসুদ, সুখদেবপুর গ্রামের হাসান, খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া শিবির এলাকার নূর আহমদ, লিপসিয়া আজিজুল, রসুলপুর গ্রামের মুজিবুর, মদন উপজেলার কাতলা গ্রামের নূরুল হুদা,

ঘাটুয়া এলাকার আবুল কালাম, গোবিন্দশ্রী গ্রামের সুজন, মাজলুসহ অনেকেই জানান, হাওরে এক ফসলী জমি। এ থেকে উৎপাদিত ফসলের আয় দিয়ে সারা বছরের পরিবারের জীবিকাসহ ব্যয়ভার নির্বাহ করা হয়। হাওর থেকে পানি নেমে গেছে। জমিতে ধান রোপন পুরোদমে শুরু হয়েছে। কিন্তু বাঁধ নির্মাণ কাজ এখনও শুরু হয়নি। যদি আগাম বন্যা হয় তাহলে ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে। 

খালিয়াজুরী খাবিটা স্কীমের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম এর মোবাইল ও হোয়াটসআপ নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করেননি।

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকাওয়াত হোসেন বলেন, উপজেলা থেকে ইউএনও মহোদয়গণ কমিটি গঠন করতে দেরি করছেন। হাওর থেকে পানি নামতে দেরী হচ্ছে। বাঁধের সার্ভের কাজ হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ফসলরক্ষার বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। 

পিআইসি কমিটি গঠন না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, দ্রুত কমিটি গঠন করে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফসলরক্ষার বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে। 

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।