সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

‎রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ন্ত্রণহীন জন্মহার : সংকটে নানা শঙ্কা উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে

‎আবু বক্কর সিদ্দিক, উখিয়া প্রতিনিধি: ‎‎কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্বাভাবিক হারে শিশু জন্ম নেওয়ায় পুরো এলাকা নতুন এক চাপের মুখে পড়ছে। জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় নিরাপত্তা, অর্থনীতি, নাগরিকত্ব সংকট এবং ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মতো পুরোনো সমস্যাগুলো আরও জটিল আকার নিচ্ছে। প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে দুই লাখ শিশু বাংলাদেশে জন্ম নিয়েও কোনো নাগরিক পরিচয় নেই। ‎ক্যাম্প ঘুরে […]

‎রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ন্ত্রণহীন জন্মহার : সংকটে নানা শঙ্কা উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৪২

‎আবু বক্কর সিদ্দিক, উখিয়া প্রতিনিধি:

‎‎কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্বাভাবিক হারে শিশু জন্ম নেওয়ায় পুরো এলাকা নতুন এক চাপের মুখে পড়ছে। জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় নিরাপত্তা, অর্থনীতি, নাগরিকত্ব সংকট এবং ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মতো পুরোনো সমস্যাগুলো আরও জটিল আকার নিচ্ছে। প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে দুই লাখ শিশু বাংলাদেশে জন্ম নিয়েও কোনো নাগরিক পরিচয় নেই।

‎ক্যাম্প ঘুরে দেখা গেছে—কর্মহীনতা, অনিশ্চয়তা আর দাম্পত্য অবসরের কারণে অনেক পরিবারে সন্তানসংখ্যা ৪ থেকে ৬। জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রচার আছে, কিন্তু বাস্তবে ফল খুবই সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা চলতে থাকলে আগামী এক-দশকের মধ্যে রোহিঙ্গা জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ক্যাম্পে তীব্র মানবিক সংকট তৈরি করবে।

‎আইএসসিজি বলছে, রোহিঙ্গাদের জন্য প্রতিশ্রুত অনুদানের অর্ধেকও হাতে আসে না। খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা—সব ক্ষেত্রেই ঘাটতি স্পষ্ট। ফলে অনেকে কাজের খোঁজে ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে স্থানীয় শ্রমবাজারকে চাপের মুখে ফেলছে। এতে উত্তেজনা বাড়ছে, বাড়ছে সামাজিক সংঘাত।

‎কাজের সংকটে তরুণদের বড় অংশ বেকার হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে—এই হতাশা অনেককে মানবপাচার, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলছে, এবং ক্যাম্পকেন্দ্রিক অপরাধ বাড়ার সঙ্গে স্থানীয়দের বিরোধও তীব্র হচ্ছে।

‎বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া দুই লাখ শিশুর নাগরিকত্বহীন অবস্থা এখন বড় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ। বাংলাদেশ তাদের স্বীকৃতি দিতে পারে না, মিয়ানমারও নিতে রাজি নয়—ফলে এই প্রজন্ম পুরোপুরি অনিশ্চয়তায় আটকে আছে।

‎এদিকে ক্যাম্প বসাতে উখিয়া-টেকনাফের ছয় হাজার একরের বেশি বনভূমি উজাড় হয়ে গেছে। বনজ সম্পদ লোপাট, ভূমি দখল, অনিয়ন্ত্রিত এনজিও কার্যক্রম—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল। মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে প্রায় থামিয়ে দিয়েছে।

‎ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন—নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, জমি ফেরত, চলাচলের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সুবিধা এবং বৈষম্যহীন অধিকার নিশ্চিত না হলে তারা মিয়ানমারে ফিরবেন না।

‎সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো চারটি দিকে বেশি জোর দিচ্ছে—জন্মহার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ, এনজিও কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি, খাদ্য-চিকিৎসা সহায়তা বৃদ্ধি এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ানো।

‎১৩ লাখ মানুষের চাপ নিয়ে দক্ষিণ সীমান্ত এখন মানবিক ও নিরাপত্তাজনিত এক গভীর সংকটের মুখে। লাগামহীন জন্মহার ওই চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। এখনই সমন্বিত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি যে দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে, সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।