বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধর্ম ব্যবসায়ী একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করছে : সেলিমা রহমান

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান বলেন, বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি, অন্য কারও নয়। তারপরও একটি দল বিএনপির গণজোয়ার দেখে অপপ্রচারে নেমেছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে। এরা ধর্ম ব্যবসায়ী। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৮

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান বলেন, বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি, অন্য কারও নয়। তারপরও একটি দল বিএনপির গণজোয়ার দেখে অপপ্রচারে নেমেছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করছে। তারা ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে।

এরা ধর্ম ব্যবসায়ী। দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েদের উপবৃত্তির ব্যবস্থা চালু করেছে। নারীদের হাতে সকল ধরনের ক্ষমতা প্রদান করেছেন। তার শাসনামলে নারীরা সকল ধরনের কাজের অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। আমাদের দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া একজন নারী, তিনিই তিন তিনবার এই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদেশের স্বাধীনতা ভাসে ধানের শীষে, নারীরাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে বারবার বিএনপিকে ক্ষমতায় আনে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমাজের নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির নির্বাচনি অগ্রাধিকার। আপনাদের এই বগুড়ার সন্তান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সেই তারেক রহমানকে দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের মাটিতে থাকতে দেয়নি ফ্যাস্টিস্ট আওয়ামী সরকার। বগুড়া হলো দেশের নেতৃত্ব দেওয়া সন্তানের জন্মভূমি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারীদের সক্ষম করে তুলবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে নোয়াখালীতে এক নারী ধর্ষিত হয়েছিলো। আজও তার বিচার হয় নি। তিনি আরও বলেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও তার ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

২৫ নভেম্বর (মঙ্গলবার) শহরের ডিজে উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে বিকেলে বগুড়া-৫ (শেরপুর- ধুনট) এলাকার বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী।

এ সময় বক্তব্যে নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, এখন আর স্লোগান ও বিশাল সমাবেশের সময় নয়, বরং ঘরে ঘরে গিয়ে সংগঠিত হওয়ার সময়। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দলের ভাবনা প্রচার করতে হবে।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিরক্ষরতা ও যৌতুকের জন্য নারী সমাজ আজও পিছিয়ে। এ কারনেই নারীরা নিপীড়িত ও নির্যাতিত। নারী সমাজের কথা বিবেচনা করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই যৌতুকবিরোধী আইন প্রণয়ন করেছিলেন, যা নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মাইলফলক। শহীদ জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারীরা রাজনীতি ও সমাজে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশেষ অবদান রেখেছেন। নারীদেরকে রাজনীতির পথ সুগম করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদেরকে প্রথম সদস্যপদ প্রদান করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রাম পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেছেন।

বাংলাদেশের প্রথম মহিলা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়ে যুগান্তকারী দ্রষ্টান্ত তৈরি করেছেন। তিনি অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেন। প্রথমে মাধ্যমিক পরে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেন বেগম খালেদা জিয়া। সংসদে সংরক্ষিত আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নতি করেন বেগম খালেদা জিয়া।

গ্রামের মেয়েদের সুরক্ষায় বেগম খালেদা জিয়া এসিড বিরোধী আইন পাস করেন। নারীর ক্ষমতায় যথাযথ প্রয়োগের ক্ষেত্রে ৩৩ দফার ২৪ তম দফায় নারীদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন দেশ নায়ক তারেক রহমান। নির্বাচিত হলে প্রতিটি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বেহেশতের টিকিটের মালিক আল্লাহ, কোন দলকে ভোট দিয়ে নয়। যারা বলে আমাদের কে ভোট দিলে বেহেশতে যেতে পারবেন। তাদের এটা অপপ্রচার। এখন প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমাদের দেশ নায়ক তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। 

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাঈন,

সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাসার, নির্বাহী সদস্য আসিফ সিরাজ রব্বানী সানভী, জেলা মহিলা দলের, জেলা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক এম,আর হাসান পলাশ, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সহ-সভাপতি পিয়ার হোসেন পিয়ার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু,

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হিরু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন, শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশীদ আপেল, যুবদল নেতা আশরাফুদ্দৌলা মামুন, শাহাবুল করিম, হাফিজুল আসিফ শাওন প্রমুখ।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।