মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

শেখ হাসিনার মামলার রায় আজ, সরাসরি দেখবে পুরো বিশ্ব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে বহুল প্রত্যাশিত রায় আজ সোমবার ঘোষণা হবে। গণহত্যার অভিযোগে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম রায় হতে যাচ্ছে। এ কারণে দেশ-বিদেশের নজর এখন আইসিটি-১ এর […]

শেখ হাসিনার মামলার রায় আজ, সরাসরি দেখবে পুরো বিশ্ব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৪০

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে বহুল প্রত্যাশিত রায় আজ সোমবার ঘোষণা হবে। গণহত্যার অভিযোগে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম রায় হতে যাচ্ছে। এ কারণে দেশ-বিদেশের নজর এখন আইসিটি-১ এর দিকে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আজ সকাল ১১টায় বসবে। অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এটিই প্রথম রায়। প্রসিকিউশন ইতোমধ্যে আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। রায় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার হবে। ঢাকার বিভিন্ন মোড়েও বড় পর্দায় দেখা যাবে বিচার কার্যক্রম।

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান বর্তমানে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। অন্যদিকে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সর্বোচ্চ নজর: গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শাস্তি কী হবে

হাসিনা ও আসাদুজ্জামানকে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের শাস্তি কী হবে—এ নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি মামুনের পরিণতিও আজ জানা যাবে।

নিরাপত্তা জোরদার

রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউনকে ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রায়কে ঘিরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও জুলাইপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোও সতর্ক রয়েছে।

৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগনামা

মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন যে অভিযোগনামা দেয়, তা মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার।
এর মধ্যে রয়েছে—

২,০১৮ পৃষ্ঠা তথ্যসূত্র

৪,০০৫ পৃষ্ঠা জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণ

২,৭২৪ পৃষ্ঠা শহীদদের তালিকা ও বিবরণ

হাসিনার বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ

১. ১৪ জুলাইয়ের উসকানিমূলক বক্তব্য:
শেখ হাসিনা ছাত্র আন্দোলনকারীদের “রাজাকারের বাচ্চা” বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। এরপর তার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ব্যাপক আক্রমণ চালায়।

হেলিকপ্টার-ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ:
আন্দোলনকারীদের নির্মূলের উদ্দেশ্যে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দেন।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড:
সরাসরি নির্দেশদাতা হিসেবে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

৫ আগস্ট চাঁনখারপুলে ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা:
এ ঘটনায় ‘হত্যা, উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সম্পৃক্ততা’র অভিযোগ আনা হয়েছে।

আশুলিয়ায় ছাত্র হত্যা ও লাশ পোড়ানো:
‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে আসা ছাত্রদের হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশদাতা হিসেবেও তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিচারপ্রক্রিয়া: ২৮ দিনে ৫৪ সাক্ষী

মোট ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় ৩ আগস্ট এবং শেষ হয় ৮ অক্টোবর।
তারকা সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন—

অধ্যাপক বদরুদ্দীন উমর

‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

২৩ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়।

প্রসিকিউশনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

প্রসিকিউটররা বলছেন, পাঁচটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি—মৃত্যুদণ্ড—প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।
রাজসাক্ষী মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নারী হিসেবে কোনো অনুকম্পা নয়

প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার জানিয়েছেন—নারী হিসেবে বিশেষ সুবিধা শুধুমাত্র জামিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, রায়ের ক্ষেত্রে নয়।
তিনি বলেন, “আসামি নারী না পুরুষ—সেটা বিবেচ্য নয়। অপরাধের ভিত্তিতেই সাজা নির্ধারিত হবে।”

দণ্ডিত হলে ইন্টারপোলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শেখ হাসিনা দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইন্টারপোলে পাঠানো হবে বলে প্রসিকিউশন জানায়।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।