সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে […]

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

একসঙ্গে পদত্যাগ মাহফুজ-আসিফের, নতুন সংকেত ডিসেম্বরের শুরুতে

নিউজ ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।


নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।


বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদেরকে ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে আখ্যা দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। ফলে এই দুই উপদেষ্টা নির্বাচনের আগে পদ ছাড়বেন কি না, সেটি এখন রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

পদত্যাগের সম্ভাবনা ও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত


অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দুই ছাত্র উপদেষ্টা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পদত্যাগ করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে দুই ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর মধ্যে মাহফুজ আলম প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন, পরে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে এনসিপি গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা নাহিদ ইসলামও উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে দলীয় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগও এখন সময়ের প্রশ্ন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজনৈতিক চাপ ও অবস্থান

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতারা ইতিমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে কিছু উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও তারা প্রকাশ্যে কারও নাম বলেননি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে ধারণা করা হচ্ছে—ইঙ্গিতটি দুই ছাত্র উপদেষ্টার দিকেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সূত্র বলছে, গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই আসিফ ও মাহফুজকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। আর মাহফুজ আলমও স্বীকার করেছেন, গত কয়েক মাস ধরে পদত্যাগের বিষয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

সম্ভাব্য আসন ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

সূত্র বলছে, আসিফ মাহমুদ হয়তো কুমিল্লা-৩ নয়, বরং ঢাকা-১০ বা ঢাকার অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করবেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, যদিও এনসিপির সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে মাহফুজ আলম লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে তিনি বিএনপি বা এনসিপি উভয় ব্যানারেই প্রার্থী হতে পারেন। তার ভাই মাহবুব আলম ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, মাহফুজ উপদেষ্টা পদ ছাড়লে রামগঞ্জ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

ছাত্র উপদেষ্টাদের ভবিষ্যৎ ও এনসিপির অবস্থান

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “যে কেউ রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে চাইলে আগে সরকারি দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “যদি দুই ছাত্র উপদেষ্টা এনসিপিতে যোগ দিতে চান, আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

দলটির মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, “এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি, তবে তারা যোগ দিতে চাইলে দলে স্বাগত জানানো হবে।”

অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন মনে করেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা ও গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক হিসেবে ছাত্র উপদেষ্টা থাকা জরুরি। তাদের পদত্যাগ সরকারের গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।”

নিরপেক্ষ নির্বাচনের বার্তা

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই আমি পদত্যাগ করব। রাজনীতিতে সক্রিয় কেউ নির্বাচনী সরকারের দায়িত্বে থাকা উচিত নয়। এতে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এজন্য সকল রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ব্যক্তির তফসিলের আগে পদত্যাগ করা উচিত।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪