বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশবিরোধী নতুন ষড়যন্ত্র দিল্লির

বিচারের শেষ পর্যায়ে থাকা পলাতক নেতা শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশবিরোধী নতুন একটি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশল আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে—এমন দাবি করছে বিশ্লেষকরা ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। গতকাল একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে—রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট—প্রকাশিত হাসিনার সাক্ষাৎকারকে বিশ্লেষকরা দিল্লির কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে আক্রান্ত করা এবং […]

হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশবিরোধী নতুন ষড়যন্ত্র দিল্লির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৩৮

বিচারের শেষ পর্যায়ে থাকা পলাতক নেতা শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশবিরোধী নতুন একটি কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশল আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে—এমন দাবি করছে বিশ্লেষকরা ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। গতকাল একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে—রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট—প্রকাশিত হাসিনার সাক্ষাৎকারকে বিশ্লেষকরা দিল্লির কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে আক্রান্ত করা এবং দেশকে অস্থিতিশীল করা।

আন্তর্জাতিক সাক্ষাৎকারে হাসিনা স্পষ্ট করে বলেছেন, জুলাই গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না, এবং আওয়ামী লীগ ছাড়া আগামী নির্বাচনে লাখ লাখ সমর্থক ভোট বর্জন করবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে গঠিত কোনো সরকারের শাসনকালেই তিনি দেশে ফিরবেন না; বরং ভারতে অবস্থান করবেন—এমনই ঘোষণা দিলেন সাক্ষাৎকারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দিল্লির উদ্দেশ্য স্পষ্ট — আদালতের রায়কে সামনে রেখে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে প্রভাব ফেলা। আদালতের সম্ভাব্য রায়ের আগে হাসিনার এসব বক্তব্য আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়ে একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরির প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বরাতে জানা যায়, দিল্লিতে হাসিনার জন্য কেবল রাজনৈতিক সমর্থন নয়—একটি সংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামোও গড়া হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সব ধরনের লজিস্টিক ও নিরাপত্তা উপকরণ আছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে কলকাতায় বসবাসরত কিছু পরিচিত নেতা-সহ বিভিন্ন দলে থাকা অনুসারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে—এই অভিযোগও উঠে এসেছে।

মোঃ রবিউল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি জানান, দিল্লি শুধু রাজনৈতিক আশ্রয়ই দিচ্ছে না; বেশ কয়েকজন সাবেক সামরিক ও পুলিশি কর্মকর্তাসহ অফিসারদেরও আশ্রয় দেয়া হয়েছে—যাদের বিরুদ্ধে দেশে গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তিরা কলকাতায় বসে তথ্য-প্রচারণা, অস্থিরতা সৃষ্টির কৌশল এবং স্থানীয় গ্রুপগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করছে—বলছে কিছু বিশ্লেষক।

রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভারতের এই পদক্ষেপের পিছনে একটি বৃহত্তর কৌশল কাজ করছে—যার লক্ষ্য বাংলাদেশে পুনরায় সেই রাজনৈতিক প্রভাব ফিরিয়ে আনা, যা নানাভাবে ২০০০ দশকের শাসনকালীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ন্যায় হবে। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারের পরিবর্তন ও স্বাধীন নীতি গ্রহণের ফলে দিল্লির পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে—এমনটা দাবি করা হচ্ছে।

সরকারি ও কূটনৈতিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন পররাষ্ট্রনীতিতে স্বাধীনতা বজায় রাখায় দিল্লির আগ্রাসী কৌশল কার্যকর করতে পারেনি। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন—আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গ্রুপের বক্তব্য বারবার প্রকাশ করলে তা দ্রুত জনমত গড়ায় এবং রাজনৈতিক অবস্থা জটিল করতে পারে।

অন্যদিকে কূটনৈতিক মহল বলছে, যদি আদালতের রায়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত আসে, তা হলে দেশের অভ্যন্তরীন মঞ্চে নতুনভাবে সংঘাতের ভিত্তি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কাও রয়েছে। এজন্য কিছু বিশ্লেষক পরামর্শ দিচ্ছেন, আন্তর্জাতিক মিডিয়া কভারেজের প্রেক্ষিতে তথ্যভিত্তিক কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ সংহতির ওপর জোর দেওয়ার প্রয়োজন।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযোগ […]

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ১২:১৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করলে এক শিক্ষার্থী তাকে সেখানে দেখতে পান। পরে তিনি অভিযুক্তের পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনে এমন কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্যও পাওয়া গেছে, যেগুলোর সঙ্গে এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। মোবাইলে পূর্বে ধারণ করা নারীদের আরও কিছু ভিডিওও পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যান্য

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ […]

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ), মো. মাহবুব রশিদ (তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা, রংপুর), মো. আব্দুর রহমান ও মো. মাসুম বিল্লাহ (বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা, পিরোজপুর), মো. হারুনুর রশিদ (নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িগ্রাম), করিমা খাতুন (মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা, বাগেরহাট), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা), শহীদুল হক (পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুমিল্লা), মো. রোকনুজ্জামান (বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর), জালাল উদ্দিন (সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত (র.) দাখিল মাদ্রাসা, ঢাকা), হাসিনা (বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, গাজীপুর), মো. মাহফুজুর রহমান (একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর) এবং নাসরিন সুলতানা (শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, নরসিংদী)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।