প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচালের জন্য দেশের ভেতর ও বাহির থেকে অনেক অপশক্তি সক্রিয় হবে। বড় শক্তি ও সংগঠিত চক্র একসাথে কাজ করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আগামী নির্বাচন হবে একটি চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন। যেকোনো সময় হঠাৎ করে আক্রমণ বা ষড়যন্ত্র হতে পারে। কিন্তু যত ঝড়-ঝাপ্টাই আসুক, আমাদের তা মোকাবিলা করতে হবে।” তিনি আরও নির্দেশ দেন, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নির্বাচনী প্রস্তুতির সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেন।
এদিকে, একই দিন বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্বাচনকালীন পদায়ন শুরু হবে এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনো কর্মকর্তাকে তার শ্বশুরবাড়ি বা আত্মীয়স্বজনের এলাকায় পদায়ন করা হবে না। এছাড়া গত তিনটি নির্বাচনে যারা রিটার্নিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট বা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের এবার দায়িত্বে রাখা হবে না।