সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

সালমান শাহকে শেষ করতে কিলার ভাড়া করেন শাশুড়ি, আসামি রেজভীর জবানবন্দি

“যারা ২৯ বছর ধরে সত্যকে লুকিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

সালমান শাহকে শেষ করতে কিলার ভাড়া করেন শাশুড়ি, আসামি রেজভীর জবানবন্দি

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০৬

বাংলা চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার অকাল প্রয়াণ ঘিরে দীর্ঘদিনের রহস্য নতুন মোড় নিয়েছে। এতদিন ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে প্রচারিত এ ঘটনাকে আদালত এখন ‘পরিকল্পিত হত্যা’ হিসেবে দেখছে। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হকের রায়ের ভিত্তিতে নতুন করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে আসামিদের একজন রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন—সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে হত্যা করা হয়েছিল।

রেজভীর স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে, সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা সাজানো হয় রাজধানীর গুলিস্তানের একটি বারে। সেখানে সালমানের শাশুড়ি লতিফা হক লুসি ১২ লাখ টাকায় কিলার ভাড়া করেন। এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন আলোচিত চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, সালমানের স্ত্রী সামিরা হকসহ আরও ১১ জন। হত্যার পর ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে ধামাচাপা দেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে উল্লেখ আছে, রেজভীর জবানবন্দিতে তিনি বিস্তারিতভাবে হত্যার বিবরণ দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়, “ডন ছিল সালমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কিন্তু তার স্ত্রী সামিরার সঙ্গে গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একই সময়ে সামিরার মা লতিফা হকের সঙ্গে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়েরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ফলে সালমান তাদের থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন।”

পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলিস্তানের বারে বৈঠকে ১২ লাখ টাকায় সালমানকে হত্যার চুক্তি হয়। পরদিন গভীর রাতে ডন, ফারুক, ডেভিড, জাভেদ ও রেজভী এফডিসি থেকে সালমানের বাসায় যায়। সেখানে সামিরা, তার মা ও আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের উপস্থিতিতে সালমান শাহকে ক্লোলোফর্ম, ইনজেকশন ও গলায় রশি দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে সাজানো হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামি রেজভীর স্বীকারোক্তি অবজ্ঞা করার কোনো আইনগত সুযোগ নেই, কারণ তিনি স্পষ্টভাবে হত্যার কথা বলেছেন। অথচ সেই সময় পুলিশ এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কোনো হত্যা মামলা নেয়নি, যা আইনের ব্যত্যয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, সালমান শাহর পরিবারের আগের মামলার সঙ্গে নতুন জবানবন্দি সংযুক্ত করে রমনা থানায় হত্যা মামলার এজাহার গ্রহণ করতে।

এই নির্দেশে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে সোমবার রাতে রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন সামিরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ, ছাত্তার, সাজু, রুবী, রেজভী আহমেদ ও আরও কয়েকজন। আদালত তদন্তের জন্য পুলিশকে আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বলেছেন,

“যারা ২৯ বছর ধরে সত্যকে লুকিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

মামলার আইনজীবী আবিদ হাসান বলেন,

“রেজভীর জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের পুরো চিত্র রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে পরিকল্পিত হত্যা। এখন শুধু ন্যায়বিচার বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।”

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক। অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা […]

‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন, কিন্তু আমি নিজের মত বদলাব না’: অরিজিৎ সিং

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১৬:০১

দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। সংসদ অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেন। সেই পোস্ট ঘিরে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনি সমালোচনাও এসেছে। এক ভক্তের কড়া মন্তব্যের জবাবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন এই গায়ক।

অরিজিৎ লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের মারধর করা হচ্ছে! দিল্লি পুলিশ, আপনাদের কি লজ্জা হচ্ছে না? নেতা-মন্ত্রীদের বলছি, এসব কী হচ্ছে? আপনারা কি নিজেদেরই ভগবান মনে করছেন? সবকিছু মনে রাখা হবে। হর হর মহাদেব।’

একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মনে রাখবেন, পরিবর্তনই একমাত্র ধ্রুবক।’

এই পোস্টের পর এক ভক্ত মন্তব্য করেন, অরিজিতের প্রতি তাঁর সব শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি লেখেন, ‘এত দিন আপনার ভক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন আপনাকে হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ঘৃণা করি।’

সেই মন্তব্যের জবাবে শান্ত ভাষাতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অরিজিৎ। তিনি বলেন, ‘কে আমাকে সম্মান করল আর কে করল না, তা নিয়ে আমি ভাবি না। সবারই আলাদা মতামত থাকতে পারে। আপনি আমার ভক্ত বলেই যে আমাকে আপনার মতো করে কথা বলতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।’

পাশাপাশি ওই ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত লেগে থাকলে দুঃখও প্রকাশ করেন তিনি। অরিজিৎ লেখেন, ‘মানুষ হিসেবে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার কথায় যদি আপনার কষ্ট হয়ে থাকে, তার জন্য দুঃখিত। তবে আমি এই বিষয়টি নিয়ে সত্যিই ক্ষুব্ধ এবং স্বাধীনভাবে আমার মত প্রকাশ করেছি।’

শেষে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার কথাও স্পষ্ট করেন এই গায়ক। তিনি লেখেন, ‘আপনি চাইলে আপনার প্লেলিস্ট থেকে আমার সব গান মুছে ফেলতে পারেন। আমার অস্তিত্বও ভুলে যেতে পারেন। সুখে থাকুন। কিন্তু আমার মতামতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

অরিজিতের এই জবাব সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক অনুরাগী তাঁর স্পষ্ট অবস্থানের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন