শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল : শাওন

কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?” কেউ লিখেছেন— “পাকিস্তান চাই না, কোনো ডিলও চাই না।” আবার কেউ বলেছেন— “ওনাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী শিখবে, তা আমাদের কাছে রহস্য

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ১৭:২৭

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন আবারও আলোচনায় এসেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সমালোচনামূলক মন্তব্যের কারণে। পর্দায় আগের মতো নিয়মিত না হলেও ফেসবুকে প্রায়ই রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে সরব থাকেন তিনি। এবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের বৈঠক নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শাওন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারের সঙ্গে এনসিপির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এনসিপি নেতারা দাবি করেন, পাকিস্তান দূতাবাস থেকে আমন্ত্রণের ভিত্তিতেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তারা জানান, দুই দেশের দীর্ঘদিনের শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্ক কাটিয়ে উন্নতির সুযোগ তৈরি করা দরকার, আর সে জন্য একাত্তরের ইস্যুগুলো দ্রুত সমাধান করতে হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী এসময় “৭১ ডিল” শব্দ ব্যবহার করেন। আর এই শব্দ ব্যবহারের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মেহের আফরোজ শাওন।

ফেসবুকে এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের একটি ভিডিও শেয়ার করে শাওন লিখেন—

“মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’ হয়ে গেল!”

তিনি আরও লিখেছেন—

“এই ‘ঘিলু’ মহোদয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে গেলেন কবে? ফরেন পলিসি নিয়ে পাকিস্তানের ফরেন মিনিস্ট্রির সাথে মিটিং করছেন! উনার ভাষ্যমতে ‘গত ১৫/২০ বছরে’ অনেক চেষ্টা করেও পাকিস্তান তাদের ভালো ভালো জিনিস আমাদের শেখাতে পারে নাই! যাক ভালোই হলো, ‘বিল্ডিং রিলেশনশিপ’-এর পর এখন বাংলাদেশ সব শিখে নিবে। ৪৪ সেকেন্ড পার করে দেখলাম ‘৭১ ডিলের একটা ইস্যুও নাকি আছে যেটা ওনাদের মতে দ্রুত সলভ (!) করা উচিত।”

তার এ পোস্টের নিচে অনুরাগীদের প্রতিক্রিয়াও এসেছে ঝড়ের মতো। অনেকে শাওনের সঙ্গে একমত পোষণ করে লিখেছেন—

“কেন পাকিস্তান? আর আপনাদের এই দায়িত্ব কে দিয়েছে?” কেউ লিখেছেন— “পাকিস্তান চাই না, কোনো ডিলও চাই না।” আবার কেউ বলেছেন— “ওনাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী শিখবে, তা আমাদের কাছে রহস্য।”

মুক্তিযুদ্ধকে “৭১ ডিল” আখ্যা দেওয়ায় শাওনের মতো সচেতন মহলেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিনোদন

দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, তবু বলি আলহামদুলিল্লাহ : কনকচাঁপা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী

আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো শিল্পীর নাম দেখা যায়নি।

প্রকাশিত তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পর আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফাইড পেজে কয়েকটি পোস্ট করেন কনকচাঁপা। তার মধ্যে একটিতে তিনি শুধু ১১ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ শব্দটি লেখেনে। এরপর আরেকটি পোস্ট করেন তিনি, যেখানে আগের পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের রাজনীতি, দলের মূল্যায়ন ও দেশের হয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন কনকচাঁপা।

শুরুতেই কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফায়সালা। সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম।

তখনও নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করলো না। তবু্ও বলি আলহামদুলিল্লাহ।’

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত না হওয়ার মধ্যেই মঙ্গল আছে বলেও মানে করেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেলো না। আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশাকরি সেভাবেই থাকবেন।’

এরপর নিজের দল বিএনপির কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার। গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকী আছে।’

মনোনয়ন না পেলেও দেশের হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারবো নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।