শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

আওয়ামী লীগ না থাকলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে : জয়

সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে মত প্রকাশ করে থাকেন। এবার দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে একটি বিশ্লেষণমুলক মতামত লিখলেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে তিনি দাবি করেন, আসছে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকলে সেটি গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। বুধবার (২০ আগস্ট) নিজের ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘বিদেশের মাটিতে নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে দেখলাম ড. মুহাম্মদ ইউনুস […]

আওয়ামী লীগ না থাকলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে : জয়

জয়

নিউজ ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৫

সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে মত প্রকাশ করে থাকেন। এবার দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে একটি বিশ্লেষণমুলক মতামত লিখলেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে তিনি দাবি করেন, আসছে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকলে সেটি গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

বুধবার (২০ আগস্ট) নিজের ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘বিদেশের মাটিতে নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে দেখলাম ড. মুহাম্মদ ইউনুস স্যারকে ভদ্রলোকরা দুর্দান্ত পছন্দ করছেন। বিএনপিকে আগামীতে ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগকে বাদ রেখে ইলেকশন চাচ্ছেন না। তাদের বক্তব্য আওয়ামী লীগের যতই দোষ থাকুক একটা বিশাল শ্রেণির জনগণ আওয়ামী লীগের সাপোর্টার। তাদের বাদ রেখে ইলেকশন করলে সেই ইলেকশনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আসবে এবং ভবিষ্যতে বিভক্তি আরও বেশি তৈরি হবে।’

এরপর লেখেন, ‘এনসিপি এবং জামাতকে অন্তত ১০০ আসনে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখতে চাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রবাসীরা দেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের ভাষায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ইউনুস সরকারের হলেও একটি উল্লেখযোগ্য জনগণ ইউনুস সরকারকে সাপোর্ট করছেন না যে কারণে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এক্ষেত্রে তারা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে আরও সময় দিতে চাচ্ছেন।’

আরও লেখেন, ‘সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তারা কিছুটা কনফিউজড। এনসিপির প্রতি মানুষের অনেক বেশি মমতা। কারণ এত বড় একটি ঘটনা ফ্রন্টলাইনে থেকে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের দলে এনসিপি। তাদের সঠিক মূল্যায়ন হোক এটা অনেকেই চাচ্ছে। আবার অনেকেই এর ঘোর বিরোধী। তাদের কার্যকলাপ এবং কথা বলার ধরণের কারণে অনেকে বিরক্ত। শুধু আওয়ামী লীগ বিরোধী ক্যাম্পেইন করে সংসদ সদস্য হওয়া কঠিন একথা অনেকে বলছে।’

জয়ের কথায়, ‘অন্যদিকে জামাতের ভূমিকাকে অনেকেই প্রশংসা করছে তাদের কথা এবং কার্যকলাপ প্রশংসিত হচ্ছে। শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধের বিষয়ে তাদের ব্যাপারে একটা বিশাল কনফিউশন রয়ে গেছে। সেটার ফলাফল কী হয় বোঝা যাচ্ছে না। অন্যদিকে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের বক্তব্যে সকলে সন্তুষ্ট। কিন্তু বিএনপির কর্মীদের কার্যকলাপে অনেকে অতিষ্ঠ। এখানে একটি বড় গ্যাপ রয়ে গেছে।’

এ তারকা বলেন, ‘যেখানে তারেক রহমান সাহেব বলছেন প্রতিশোধ নয় প্রতিরোধ নয় সেখানে তাদের কর্মীরা প্রতিশোধ এবং প্রতিরোধের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। এটা হাই কমান্ডের নীতির বহির্ভূত। এই অতি উৎসাহিত কর্মীদের থামানোর কোনো রাস্তাও আর জানা নাই। ইলেকশনের পূর্বেই যদি হাই কমান্ডকে তারা ইগনোর করে ইলেকশনে জিতলে তাদের ভূমিকা কী হবে সেটা অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।’

সবশেষে জয় লেখেন, ‘এই লেখাটা সামগ্রিকভাবে আমার বিশ্লেষণ। আমি একটা বোকা লোক এবং মূর্খ লোক। আমার বিশ্লেষণকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নাই। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমার গণতান্ত্রিক অধিকার আমি এই লেখার মাধ্যমে প্রয়োগ করলাম। কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আমি ক্ষমা চাই। তবে আমার লেখা থেকে হয়তো যারা বুদ্ধিমান তারা ভালো অংশটুকু গ্রহণ করে এটাকে কাজে লাগিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।’

গেল রোজার ঈদে জয়কে দেখা গেছে ‘পাপ কাহিনী’ নামের একটি ওয়েব সিরিজ। নির্মাণের পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন তিনি। তার বিপরীতে দেখা গেছে রুনা খানকে। আরও ছিলেন মৌসুমী মৌ, তানজিয়া মিথিলা প্রমুখ।

বিনোদন

দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, তবু বলি আলহামদুলিল্লাহ : কনকচাঁপা

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪৬

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে শোবিজের অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত সবাই ফিরেছেন শূন্য হাতে। এরপর সংরক্ষিত নারী

আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, দিলরুবা খান, কনকচাঁপা, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকসহ অনেকেই। কিন্তু সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো শিল্পীর নাম দেখা যায়নি।

প্রকাশিত তালিকা প্রকাশ পাওয়ার পর আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি ও ভেরিফাইড পেজে কয়েকটি পোস্ট করেন কনকচাঁপা। তার মধ্যে একটিতে তিনি শুধু ১১ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ শব্দটি লেখেনে। এরপর আরেকটি পোস্ট করেন তিনি, যেখানে আগের পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের রাজনীতি, দলের মূল্যায়ন ও দেশের হয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন কনকচাঁপা।

শুরুতেই কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফায়সালা। সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম।

তখনও নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করলো না। তবু্ও বলি আলহামদুলিল্লাহ।’

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত না হওয়ার মধ্যেই মঙ্গল আছে বলেও মানে করেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেলো না। আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশাকরি সেভাবেই থাকবেন।’

এরপর নিজের দল বিএনপির কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার। গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকী আছে।’

মনোনয়ন না পেলেও দেশের হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারবো নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।