রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেড় যুগের রক্ত ক্ষয়,তা কয়েকজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য নয় : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ দেড় যুগ ধরে যে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে, তা কয়েকজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য নয়। মানুষ তাদের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ফেরত পেতে রাস্তায় নেমেছে, জীবন দিয়েছে।” বুধবার বিকেলে সাভারের আশুলিয়ায় বিএনপি আয়োজিত ‘নারকীয় জুলাই’ শীর্ষক জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এই […]

দেড় যুগের রক্ত ক্ষয়,তা কয়েকজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য নয় : তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ জুলাই ২০২৫, ১৩:১৮

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ দেড় যুগ ধরে যে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে, তা কয়েকজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য নয়। মানুষ তাদের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ফেরত পেতে রাস্তায় নেমেছে, জীবন দিয়েছে।”

বুধবার বিকেলে সাভারের আশুলিয়ায় বিএনপি আয়োজিত ‘নারকীয় জুলাই’ শীর্ষক জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এই জনসভাটি ছিল জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি আয়োজন।

তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেন, “জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা ব্যক্তিপরিচয় নয়, রাষ্ট্রীয় অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। তারা চাননি যেন সেই আন্দোলনের ফসল শেষ পর্যন্ত কিছু সুবিধাবাদীর দখলে চলে যায়।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সরকারে যারা থাকবে, তাদের মনে রাখতে হবে—রাষ্ট্র চালাতে হলে জনগণের কণ্ঠ শুনতেই হবে। জনগণের মতের বাইরে গিয়ে কেউ আর রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, একজন নাগরিকের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হচ্ছে তার ভোট। সেই ভোটের মাধ্যমে সে যেন নিজের প্রতিনিধি নিজে বেছে নিতে পারে—এই মৌলিক অধিকারের প্রশ্নেই বিএনপি বারবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তুলেছে।”

তারেক রহমান বলেন, “যে রাষ্ট্রে মানুষ তার পছন্দের জনপ্রতিনিধিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারে, সেই রাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই হয়। আর যদি সেই ভোটাধিকার হরণ হয়, তাহলে তা ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দেয়।”

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “রাষ্ট্রের মালিকানা যদি জনগণের না হয়, তাহলে সেই রাষ্ট্র জনগণের হয়ে কাজ করে না। তখন কিছু গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়ে রাষ্ট্রযন্ত্র। আর এটাই আমরা বিগত দেড় দশকে দেখেছি।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যদি জনগণকে শক্তিশালী করা যায়—রাজনীতি, সরকার এবং সংস্কার—সবকিছুতেই গুণগত পরিবর্তন আসবে। জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করলেই কোনো বিদেশি শক্তি বা স্বৈরাচার আর এ দেশে ‘তাঁবেদার শাসন’ কায়েম করতে পারবে না।”

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যের শেষ দিকে বলেন, “এখন সময় এসেছে আন্দোলনের বিজয়কে নিশ্চিত করে সেই জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠার। কেউ যেন আর সাহস না করে জনগণের ঘাড়ে চেপে বসতে। সেই ইতিহাস আমরা জুলাইয়ের রক্তে লিখে দিয়েছি।”

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—জুলাইয়ের গণজাগরণ কেবল সরকারের পতনের জন্য ছিল না, বরং সেটা ছিল একটি নতুন ধরনের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য, যেখানে ক্ষমতার উৎস হবে জনগণ, এবং কোনো গোষ্ঠী বা সুবিধাবাদী রাজনৈতিক শক্তি সেই ক্ষমতা দখল করতে পারবে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪