সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নারীর কণ্ঠে প্রশ্ন, কোথায় আমাদের নিরাপত্তা?

নারী জাতি মানবসভ্যতার অর্ধেক, সৃষ্টির ধারক ও বাহক। নারী ছাড়া পৃথিবী যেমন অপূর্ণ, তেমনি নারী ছাড়া মানবজাতির অস্তিত্বও অসম্ভব। অথচ এই নারীকেই আজ চারপাশে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়- সে কি নিরাপদ? রাস্তাঘাট, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজ ঘরেও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে গভীর শঙ্কা। যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, হত্যা- এই শব্দগুলো যেন প্রতিনিয়ত নারীদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ জুলাই ২০২৫, ২০:২১

নারী জাতি মানবসভ্যতার অর্ধেক, সৃষ্টির ধারক ও বাহক। নারী ছাড়া পৃথিবী যেমন অপূর্ণ, তেমনি নারী ছাড়া মানবজাতির অস্তিত্বও অসম্ভব।

অথচ এই নারীকেই আজ চারপাশে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়- সে কি নিরাপদ? রাস্তাঘাট, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজ ঘরেও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে গভীর শঙ্কা।

যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, হত্যা- এই শব্দগুলো যেন প্রতিনিয়ত নারীদের জীবনের বাস্তবতা হয়ে উঠছে। নারীরা আজ ভয়ে কুঁকড়ে থাকেন, আত্মরক্ষার কৌশল শিখে চলেন, তবুও  নেই স্বস্তি।

এই বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেছেন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা কী ভাবছেন? কীভাবে দেখছেন এই সংকটকে? সেই ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন সানজিদা খানম ঊর্মি।

“সম্মান, শিক্ষা ও শাস্তি- এই হোক নিরাপদ সমাজের মূলভিত্তি”

তানিয়া আহমেদ, প্রভাষক, ফার্মেসী বিভাগ।

আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক ভোরের, যেদিন আমার কন্যাশিশু রাস্তায় বেরিয়ে যাবে নিজের ইচ্ছায়, নিজের মতো করে, ভয় ছাড়াই। কিন্তু বাস্তবতা এমন যে, আজ নারীরা দিনের আলোতেও অনিরাপদ। আমরা ভুলে যাই- নারীও মানুষ।

তাকে মেয়ে, স্ত্রী বা মা হিসেবে নয়- মানবিক মর্যাদা ও অধিকারসম্পন্ন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে শিখতে হবে। এই পরিবর্তন আনতে হবে পারিবারিক পর্যায় থেকেই। শিশুদের শিখাতে হবে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান এবং সহানুভূতি। আর অপরাধীদের জন্য থাকতে হবে ভয়াবহ শাস্তির দৃষ্টান্ত।

শুধু নারী দিবসে ফুল হাতে ছবি তুলে কিছু হবে না। আইনের কঠোর প্রয়োগ, দ্রুত বিচার এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোই পারে একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হলো- কার্যকর ও সাহসী সামাজিক পরিবর্তন।

“দশভুজা নারীর জন্য চাই নিরাপত্তার সীমানা”

তিথি হক, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ।

নারী মানেই মমতা, ধৈর্য, শ্রম আর ভালোবাসার আরেক নাম। ঘরের কাজ হোক কিংবা বাইরের দায়িত্ব নারী সমান দক্ষতায় সব সামলান। অথচ তাঁকেই আজ ভাবতে হয়, বাসা থেকে বের হলে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষা করবেন। আমার ছাত্রীদের বলি, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবো?

কেউ বলে ব্যাগে সেফটিপিন রাখি, কেউ পেপার স্প্রে। কেউ ইউটিউবে আত্মরক্ষার ভিডিও দেখে। সন্ধ্যার পরে বের হলে একা বের হই না। এই উত্তরগুলো আমার হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়। কারণ এই ভয় নারীদের নিত্যসঙ্গী হয়ে গেছে।

এই বাস্তবতা বদলাতে হলে প্রয়োজন প্রাথমিক পর্যায় থেকেই সচেতনতা গড়ে তোলা। স্কুলে গুড টাচ–ব্যাড টাচ শেখাতে হবে, আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রকে শুধু আইন বানালেই চলবে না-সেটির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

আর আমরা সবাই পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -আমাদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে শিখলে তবেই নারী নিরাপত্তার বাস্তব রূপ আমরা দেখতে পারব।

“নারীর জন্য নিরাপদ দেশ গড়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার”

ফারজানা আক্তার, ১ম বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ।

বাংলাদেশ দিন দিন উন্নত হচ্ছে- শিক্ষা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো সবখানেই অগ্রগতি দৃশ্যমান। কিন্তু নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা এখনও ভীষণ পিছিয়ে। পত্রিকার পাতায় প্রতিদিন ধর্ষণ কিংবা নিপীড়নের খবর পড়ে আমরা স্তব্ধ হই, আতঙ্কিত হই, কিন্তু কতটুকু পরিবর্তন হয়?

একবার আমিও এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। সেই সময়টায় আমি ভেঙে পড়িনি, বরং শিখেছি কীভাবে নিজেকে সুরক্ষা দিতে হয়। আত্মরক্ষার প্রাথমিক কৌশল শিখেছি, আশপাশের নারীদেরও সচেতন করেছি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন সবসময় নারীকেই এসব ভাবতে হয়? কেন রাষ্ট্র, সমাজ বা প্রশাসন নারীর সুরক্ষায় সক্রিয় নয়? আমরা চাই আইনের সঠিক ও দ্রুত প্রয়োগ হোক, পুলিশ-প্রশাসন ও আদালতে যেন নারী সম্মান পায়।

বিচার হোক জনসম্মুখে, দৃষ্টান্তমূলকভাবে। নারী যেন আতঙ্ক নয়, সাহস নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে, পথ চলতে পারে—সেই সমাজ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।

“ভয় নয়, চাই কার্যকর বিচার ও নিরাপত্তা”

আফরা, ৩য় বর্ষ, আইন বিভাগ।

আমরা এমন এক সমাজে বাস করছি, যেখানে অপরাধীরা বারবার সুযোগ পায়, আর ভুক্তভোগীরা কাঁদে চোখের সামনে ন্যায়বিচার দেখা তাদের ভাগ্যে জোটে না। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে সবচেয়ে বেশি।

ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধের পরও বহু ঘটনা চেপে যায়, নতুবা বিচার হতে হতে বছর কেটে যায়। অথচ নারীদের চলাফেরা, পোশাক, সামাজিক ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে বারবার। আমরা চাই এমন একটি সমাজ, যেখানে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ নয়, নিশ্চিত হবে।

অপরাধী শাস্তি পাবে। এটাই হবে স্বাভাবিক চিত্র। রাষ্ট্র যদি চায় নারীর অধিকার রক্ষা করতে, তবে আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করে, দৃঢ়ভাবে বিচারের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। ভয়মুক্ত সমাজ গড়তে আমাদের আইনের পাশাপাশি চাই শক্তিশালী সামাজিক সচেতনতা ও সমষ্টিগত উদ্যোগ।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।