শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নারীর কণ্ঠে প্রশ্ন, কোথায় আমাদের নিরাপত্তা?

নারী জাতি মানবসভ্যতার অর্ধেক, সৃষ্টির ধারক ও বাহক। নারী ছাড়া পৃথিবী যেমন অপূর্ণ, তেমনি নারী ছাড়া মানবজাতির অস্তিত্বও অসম্ভব। অথচ এই নারীকেই আজ চারপাশে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়- সে কি নিরাপদ? রাস্তাঘাট, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজ ঘরেও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে গভীর শঙ্কা। যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, হত্যা- এই শব্দগুলো যেন প্রতিনিয়ত নারীদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ জুলাই ২০২৫, ২০:২১

নারী জাতি মানবসভ্যতার অর্ধেক, সৃষ্টির ধারক ও বাহক। নারী ছাড়া পৃথিবী যেমন অপূর্ণ, তেমনি নারী ছাড়া মানবজাতির অস্তিত্বও অসম্ভব।

অথচ এই নারীকেই আজ চারপাশে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়- সে কি নিরাপদ? রাস্তাঘাট, কর্মক্ষেত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি নিজ ঘরেও নারীর নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হচ্ছে গভীর শঙ্কা।

যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, হত্যা- এই শব্দগুলো যেন প্রতিনিয়ত নারীদের জীবনের বাস্তবতা হয়ে উঠছে। নারীরা আজ ভয়ে কুঁকড়ে থাকেন, আত্মরক্ষার কৌশল শিখে চলেন, তবুও  নেই স্বস্তি।

এই বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেছেন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা কী ভাবছেন? কীভাবে দেখছেন এই সংকটকে? সেই ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন সানজিদা খানম ঊর্মি।

“সম্মান, শিক্ষা ও শাস্তি- এই হোক নিরাপদ সমাজের মূলভিত্তি”

তানিয়া আহমেদ, প্রভাষক, ফার্মেসী বিভাগ।

আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক ভোরের, যেদিন আমার কন্যাশিশু রাস্তায় বেরিয়ে যাবে নিজের ইচ্ছায়, নিজের মতো করে, ভয় ছাড়াই। কিন্তু বাস্তবতা এমন যে, আজ নারীরা দিনের আলোতেও অনিরাপদ। আমরা ভুলে যাই- নারীও মানুষ।

তাকে মেয়ে, স্ত্রী বা মা হিসেবে নয়- মানবিক মর্যাদা ও অধিকারসম্পন্ন একজন মানুষ হিসেবে দেখতে শিখতে হবে। এই পরিবর্তন আনতে হবে পারিবারিক পর্যায় থেকেই। শিশুদের শিখাতে হবে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান এবং সহানুভূতি। আর অপরাধীদের জন্য থাকতে হবে ভয়াবহ শাস্তির দৃষ্টান্ত।

শুধু নারী দিবসে ফুল হাতে ছবি তুলে কিছু হবে না। আইনের কঠোর প্রয়োগ, দ্রুত বিচার এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোই পারে একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হলো- কার্যকর ও সাহসী সামাজিক পরিবর্তন।

“দশভুজা নারীর জন্য চাই নিরাপত্তার সীমানা”

তিথি হক, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ।

নারী মানেই মমতা, ধৈর্য, শ্রম আর ভালোবাসার আরেক নাম। ঘরের কাজ হোক কিংবা বাইরের দায়িত্ব নারী সমান দক্ষতায় সব সামলান। অথচ তাঁকেই আজ ভাবতে হয়, বাসা থেকে বের হলে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষা করবেন। আমার ছাত্রীদের বলি, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবো?

কেউ বলে ব্যাগে সেফটিপিন রাখি, কেউ পেপার স্প্রে। কেউ ইউটিউবে আত্মরক্ষার ভিডিও দেখে। সন্ধ্যার পরে বের হলে একা বের হই না। এই উত্তরগুলো আমার হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়। কারণ এই ভয় নারীদের নিত্যসঙ্গী হয়ে গেছে।

এই বাস্তবতা বদলাতে হলে প্রয়োজন প্রাথমিক পর্যায় থেকেই সচেতনতা গড়ে তোলা। স্কুলে গুড টাচ–ব্যাড টাচ শেখাতে হবে, আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রকে শুধু আইন বানালেই চলবে না-সেটির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

আর আমরা সবাই পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -আমাদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে শিখলে তবেই নারী নিরাপত্তার বাস্তব রূপ আমরা দেখতে পারব।

“নারীর জন্য নিরাপদ দেশ গড়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার”

ফারজানা আক্তার, ১ম বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ।

বাংলাদেশ দিন দিন উন্নত হচ্ছে- শিক্ষা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো সবখানেই অগ্রগতি দৃশ্যমান। কিন্তু নারী নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা এখনও ভীষণ পিছিয়ে। পত্রিকার পাতায় প্রতিদিন ধর্ষণ কিংবা নিপীড়নের খবর পড়ে আমরা স্তব্ধ হই, আতঙ্কিত হই, কিন্তু কতটুকু পরিবর্তন হয়?

একবার আমিও এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। সেই সময়টায় আমি ভেঙে পড়িনি, বরং শিখেছি কীভাবে নিজেকে সুরক্ষা দিতে হয়। আত্মরক্ষার প্রাথমিক কৌশল শিখেছি, আশপাশের নারীদেরও সচেতন করেছি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন সবসময় নারীকেই এসব ভাবতে হয়? কেন রাষ্ট্র, সমাজ বা প্রশাসন নারীর সুরক্ষায় সক্রিয় নয়? আমরা চাই আইনের সঠিক ও দ্রুত প্রয়োগ হোক, পুলিশ-প্রশাসন ও আদালতে যেন নারী সম্মান পায়।

বিচার হোক জনসম্মুখে, দৃষ্টান্তমূলকভাবে। নারী যেন আতঙ্ক নয়, সাহস নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারে, পথ চলতে পারে—সেই সমাজ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।

“ভয় নয়, চাই কার্যকর বিচার ও নিরাপত্তা”

আফরা, ৩য় বর্ষ, আইন বিভাগ।

আমরা এমন এক সমাজে বাস করছি, যেখানে অপরাধীরা বারবার সুযোগ পায়, আর ভুক্তভোগীরা কাঁদে চোখের সামনে ন্যায়বিচার দেখা তাদের ভাগ্যে জোটে না। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে সবচেয়ে বেশি।

ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধের পরও বহু ঘটনা চেপে যায়, নতুবা বিচার হতে হতে বছর কেটে যায়। অথচ নারীদের চলাফেরা, পোশাক, সামাজিক ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে বারবার। আমরা চাই এমন একটি সমাজ, যেখানে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ নয়, নিশ্চিত হবে।

অপরাধী শাস্তি পাবে। এটাই হবে স্বাভাবিক চিত্র। রাষ্ট্র যদি চায় নারীর অধিকার রক্ষা করতে, তবে আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করে, দৃঢ়ভাবে বিচারের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। ভয়মুক্ত সমাজ গড়তে আমাদের আইনের পাশাপাশি চাই শক্তিশালী সামাজিক সচেতনতা ও সমষ্টিগত উদ্যোগ।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।