এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।
এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।
তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের […]
ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের খুব কম দেশই মুক্ত রয়েছে। কারণ আকাশপথ ও নৌপথগুলো এখনো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।’
ডুজারিক জানান, ‘সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহাসচিব। উত্তেজনা আরো বাড়লে তা বেসামরিক নাগরিক এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য বিধ্বংসী পরিণতি বয়ে আনবে।’
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
…যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ। দেশের মানুষ মনেপ্রাণে চায়, মিথ্যা হোক প্রাচীন মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ থেকে আসা এই প্রবাদ। কারণ সত্য প্রমাণিত হলে আরো ভয়াবহ সংকটে পড়বে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি ক্রমেই…
কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ দাবি করে ‘নতুন মানচিত্র’ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। বুধবার (৮ জানুয়ারি) ট্রাম্প তার সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে কানাডাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসাবে দেখানো এই মানচিত্র শেয়ার করেছেন। যেখানে…
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের নাসিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার…
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি সংস্থাগুলোর সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণে ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বুধবার (১৩ মে) ঢাকাস্থ…