মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

স্বাধীনতা দিবসে ইবিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ইরফান উল্লাহ, ইবি : যথাযথ মর্যাদায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনসহ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৫, ০২:১৭

ইরফান উল্লাহ, ইবি :

যথাযথ মর্যাদায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনসহ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। একই সময় প্রভোস্টগণ নিজ-নিজ আবাসিক হলে অনুরূপভাবে জাতীয় পতাকা ও হল পতাকা উত্তোলন করেন।

পতাকা উত্তোলন শেষে আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এরপর ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে ডিনবৃন্দসহ সকল অনুষদ, হল, বিভাগ, সকল পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ ও ফোরাম, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রশাসন ভবন চত্বর হতে এক শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে এসে সমবেত হয়।

শোভাযাত্রা শেষে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এরপর বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে সুশৃঙ্খলভাবে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদ, আবাসিক এলাকার মসজিদ এবং হল মসজিদসমূহে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য খবর

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়। […]

নাসিরনগরে মহানবী (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে বিক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৫০

মো: সোবেল মিয়া,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর শানে কটূক্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা–কর্মীরা।

আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর নাসিরনগর কলেজ মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের ইমরান চত্বরে গিয়ে সমাবেশে পরিণত হয়।

সমাবেশের আয়োজন করে নাসিরনগর ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ। এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা হুসাইন আহমদ নুরপুরী এবং সঞ্চালনা করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা মুফতি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদসহ আরও কয়েকজন বক্তা।

বক্তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী (সা.)–এর শানে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

অন্যান্য খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি-এর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এর এই শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদাকে সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে দেখা যায়। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ হয়ে […]

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক

২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৫

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি-এর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এর এই শিক্ষার্থী রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদাকে সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে দেখা যায়। এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ হয়ে যায় এবং সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তার জীবিত বা মৃত অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সঙ্গে নিখোঁজ ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাটি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে, যখন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমন-এর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি জোরদার করেছে এবং স্থানীয়দের তথ্য দিয়ে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

অন্যান্য খবর

হিশামের বিষয়ে পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিশাম আবুঘারবিয়েহের পরিবারের পক্ষ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। হিশামের ভাই সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, হিশামের অস্বাভাবিক আচরণ নিয়ে তারা আগেই পুলিশকে সতর্ক করেছিলেন। হিশামের ২২ বছর বয়সী ভাই আহমদ আবুঘারবিয়েহ সিবিএস নিউজকে বলেন, তার বড় ভাই খুব দ্রুত রেগে যেতেন। রুমমেটদের সঙ্গে […]

হিশামের বিষয়ে পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল পরিবার

হিশামের বিষয়ে পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল পরিবার

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৪

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিশাম আবুঘারবিয়েহের পরিবারের পক্ষ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। হিশামের ভাই সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, হিশামের অস্বাভাবিক আচরণ নিয়ে তারা আগেই পুলিশকে সতর্ক করেছিলেন।

হিশামের ২২ বছর বয়সী ভাই আহমদ আবুঘারবিয়েহ সিবিএস নিউজকে বলেন, তার বড় ভাই খুব দ্রুত রেগে যেতেন। রুমমেটদের সঙ্গে শেয়ার করা কোনো বাসায় তার থাকা উচিত ছিল না।

আহমদ আরও বলেন, ও (হিশাম) যে রুমমেটদের সঙ্গে থাকত, তা আমি জানতাম না। ওর হয় একা থাকা উচিত ছিল, না হয় গৃহহীন হয়ে পথে থাকা উচিত ছিল।

২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুঘারবিয়েহ তার রুমমেট জামিল লিমন (২৭) এবং নাহিদা বৃষ্টি (২৭) হত্যার ঘটনায় দুটি ফার্স্ট ডিগ্রি খুনের মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। গত শুক্রবার লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর বৃষ্টির সন্ধানে তল্লাশি চালানোর সময় গত রোববার মানবদেহের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়, যদিও সেগুলো এখনো বৃষ্টির কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, টাম্পা বে-র ওপর অবস্থিত হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর বা তার কাছাকাছি এলাকায় উভয়ের মরদেহের অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।

হিশামের ভাই আহমদ আবুঘারবিয়েহ জানান, গত শুক্রবার সকালে হিশাম হঠাৎ তাদের বাড়িতে হাজির হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে ফোন করেছিলেন। তিনিও ফোনদাতাদের একজন ছিলেন।

আহমদ বলেন, সে খুবই অদ্ভুত আচরণ করছিল, তাই তাকে বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আমি পুলিশ ডাকি।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকেই পরিবারের সঙ্গে হিশাম আবুঘারবিয়েহের কোনো যোগাযোগ ছিল না।

হিশাম আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলেও একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। ঘটনার দিন লিভিং রুমে হিশামকে কেবল তোয়ালে পরা অবস্থায় ভিডিও গেম খেলতে দেখেন তার ছোট বোন। ওই সময় ছোট বোন এর প্রতিবাদ জানালে হিশাম তার দিকে এগিয়ে যান এবং চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তিনি তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে সক্ষম হন।

গত শুক্রবার বেশ নাটকীয়ভাবে হিশাম আবুঘারবিয়েহকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের ডেপুটিরা যখন তাকে ঘিরে ধরেন, তখন তিনি কেবল একটি তোয়ালে পরা অবস্থায় হাত তুলে বেরিয়ে আসেন। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


নিহতদের পরিবারের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন হিশামের ভাই আহমদ। এতে তিনি বলেছেন, ‘আমি তাদের কথা ভাবা বন্ধ করতে পারছি না। আমার খুবই খারাপ লাগছে। যা ঘটেছে তার জন্য আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী। আমি এবং আমার পুরো পরিবার প্রচন্ড লজ্জা ও অপরাধবোধে ভুগছি।

আহমদ আবুঘারবিয়েহ আরও বলেন, আমরা অতীতেও পুলিশকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলাম।

আদালতের নথি অনুযায়ী, পরিবারের পক্ষ থেকে হিশাম আবুঘারবিয়েহের বিরুদ্ধে দুইবার সুরক্ষামূলক আদেশের (প্রোটেক্টিভ অর্ডার) আবেদন করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২০২৩ সালের আবেদনটি মঞ্জুর হলেও ২০২৫ সালের আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়।

২০২৫ সালের আবেদনটি খারিজ করার সময় বিচারক উল্লেখ করেন যে, শারীরিক লাঞ্ছনার (ব্যাটারি) ফৌজদারি অভিযোগগুলো যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়া হয়নি, তাই এই অনুরোধ রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

আহমদ জানান, আর্থিক সংকটের কারণে ২০২৩ সালে তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ নিয়ে তিনি আর সামনে এগোননি।

তিনি বলেন, আমি অভিযোগ তুলে নিয়েছিলাম কারণ আমার মনে হয়েছিল এতে অনেক টাকা খরচ হবে। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের পরপরই আমি অনুতপ্ত হয়েছিলাম।

২০২৩ সালের সেই সুরক্ষামূলক আদেশের আবেদনের একটি কপি সিবিএস নিউজের হাতে এসেছে। সেখানে আহমদ লিখেছিলেন, তার ভাই তাকে কয়েকবার ঘুষি মেরেছিলেন ও শার্ট ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। তিনি লেখেন, এতে আমার রক্তপাত হয় এবং মুখে কালশিটে পড়ে যায়। আমি পুলিশকে ফোন করতে বাইরে গেলে সে পরিবারের মিনিভ্যানটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কাজ হবে না বুঝতে পেরে সে আবার ফিরে আসে।

অন্য এক ঘটনার কথা উল্লেখ করে ছোট ভাই অভিযোগ করেন, হিশাম তার মায়ের সঙ্গে সামান্য তর্কের পর পুরো বসার ঘর (লিভিং রুম) তছনছ করে ফেলেছিলেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ভাই ‘মাঝরাতে চিৎকার করে নিজেকে ঈশ্বর দাবি করতেন এবং বলতেন যে আমাদের সবার উচিত তার সামনে মাথা নত করা।

হিশাম আবুঘারবিয়েহ পক্ষে লড়ছে হিলসবরো কাউন্টি পাবলিক ডিফেন্ডারের অফিস। সংস্থাটির এক মুখপাত্র সিবিএস নিউজকে বলেন, আমরা বুঝতে পারছি এই মামলাটি নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। তবে পেশাগত নৈতিকতা এবং আমাদের মক্কেলের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার স্বার্থে আমরা জনসমক্ষে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের মক্কেলের প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়েই আমরা বর্তমানে মনোনিবেশ করছি।

আহমদ আবুঘারবিয়েহের দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেনি হিলসবরো কাউন্টি স্টেট অ্যাটর্নির কার্যালয়।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তারা জানিয়েছে, হিশাম আবুঘারবিয়েহ সমাজের জন্য এখনো এক বড় হুমকি এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জামিনহীনভাবে কারাগারে রাখা উচিত।

স্টেট অ্যাটর্নি সুজি লোপেজ বলেন, এই অত্যন্ত কঠিন সময়ে দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা রইল। তারা সত্য জানার জন্য যে অপেক্ষা করছেন, আমরা সবসময় তাদের পাশে আছি।

এদিকে সিবিএস নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।