সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণহত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দুঃখজনক : আমিনুল হক

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা, যারা জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সরাসরি হত্যার নির্দেশদাতা, যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে- সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্লবী-রূপনগরে পল্লবী থানা ছাত্রদল ও রূপনগর থানা যুবদলের উদ্যোগে […]

নিউজ ডেস্ক

১০ অক্টোবর ২০২৪, ২২:২৩

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেছেন, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা, যারা জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সরাসরি হত্যার নির্দেশদাতা, যাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে- সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্লবী-রূপনগরে পল্লবী থানা ছাত্রদল ও রূপনগর থানা যুবদলের উদ্যোগে দুটি পৃথক স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের ওপরে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার ও তাদের দোসররা, যারা জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছে, বিরোধী মত দমনে মামলা হামলা ও নির্যাতন করেছে, জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে যারা বারবার ক্ষমতার চেয়ারে বসেছে, যাদের নির্দেশনায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে অসংখ্য ছাত্র-জনতা ও বিএনপির নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, সেই শহীদদের রক্ত এখনো শুকায়নি। অথচ সেই হত্যাকারীদের দ্রুত জামিন দেওয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার গত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী কায়দায় রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে ক্ষমতায় বসে ছিল। সেই রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলো আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তারা (আওয়ামী সরকার) এই রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলোর কোমর ভেঙে দিয়েছে। এই আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের দোসররা এখনো রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসে আছে। দেশের স্বর্থে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রগুলোর সঠিক সংস্কারের প্রয়োজন। এজন্য সবার সহযোগিতায় আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সকল যন্ত্রগুলো ঢেলে সাজাতে হবে। নইলে এর সুফল পাওয়া যাবে না।
আমিনুল হক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ব। বিএনপি জনগণের দল, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি রাজনীতি করে এবং জাতির সকল ক্লান্তিলগ্নে বিএনপি সব সময় জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সামনে সুন্দর পরিবেশে জনগণের ভোটের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে এবং সেই সরকার জনগণের কথামতো চলবে।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মাহাবুব আলম মন্টু, রূপনগর থানা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাধারণ সম্পাদক মহসিন সিদ্দিকী রনি, মহিলা দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক লাইলী বেগম, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক কামাল হুসাইন খান, সিনিয়র সহসভাপতি আশরাফ আলী গাজী, পল্লবী থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আবু তৈয়ব, রূপনগর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মজিবুল হক, যুগ্ম আহবায়ক শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, অলিউল হাসানাত তুহীন, খায়রুল আলম নয়ন, যুবদল পল্লবী থানা সভাপতি হাজী নূর সালাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি ফরহাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. তপন, সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক, যুবদল রূপনগর থানা সভাপতি সোয়েব খান, সাধারণ সম্পাদক হাদিউল ইসলাম রাজীব, সিনিয়র সহসভাপতি মো. নাঈম, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সিজার খান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম নীরব, রূপনগর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান রনি, মহিলা দল পল্লবী থানা সভাপতি লাকী রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা দিলারা পলি, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শফিকুর রহমান মামুন, সাধারণ সম্পাদক খোকন মাদবর, সিনিয়র সহসভাপতি ইমরান মুন্সি, যুবদল নেতা জিহাদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭