বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিএনপি নেতার আঁতাত পৈত্তিক সম্পত্তির বাড়িতে ভাগ বসালেন প্রতিবেশী

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ একসময়ে পৈত্তিক সূত্রে পাওয়া জমিতে বসবাস করতেন মোরশেদা বেগম। সংসারে অভাব অনটনের কারণে পাড়ি জমান রাজধানী ঢাকায়। দীর্ঘ বছর পর ফিরে এসে দেখতে পান বসত বাড়িটুকু দখল করে নিয়েছেন প্রতিবেশী কালাম হাওলাদার। এলাকার গণ্যমান্যরা মোরশেদা বেগমের বসত বাড়িটি ছেড়ে দিতে বলেন তারপর ছেড়ে দিয়েছপরবর্তীতে ইউনিয়নের প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতা মোর্শেদা বেগমের বাড়ির জমি […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ২০:০১

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

একসময়ে পৈত্তিক সূত্রে পাওয়া জমিতে বসবাস করতেন মোরশেদা বেগম। সংসারে অভাব অনটনের কারণে পাড়ি জমান রাজধানী ঢাকায়। দীর্ঘ বছর পর ফিরে এসে দেখতে পান বসত বাড়িটুকু দখল করে নিয়েছেন প্রতিবেশী কালাম হাওলাদার।

এলাকার গণ্যমান্যরা মোরশেদা বেগমের বসত বাড়িটি ছেড়ে দিতে বলেন তারপর ছেড়ে দিয়েছপরবর্তীতে ইউনিয়নের প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতা মোর্শেদা বেগমের বাড়ির জমি অর্ধেক দিয়েছেন প্রতিবেশী কালাম হাওলাদারকে বুধবার (৫ মার্চ) বিএনপি নেতার লোকজন

মোর্শেদার সীমানা ভেঙে কালামের দখলে বুঝিয়ে দিয়েছেন।ঘটনাটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমির মারা গ্রামের। সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, ৪২/৫ জেএল কুমির মারা মৌজার ১২৮ নং খতিয়ানের ১২১৪ ও ১২১৫ নং দাগের ৮২ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন মোর্শেদা বেগমের পিতা সৈজউদ্দিন।

তিনি মারা যাওয়ার পরে ওয়ারিশ সূত্রে ওই রেকর্ডিয় মালিক হন মোর্শেদা বেগম ও তার বোন রানু বেগম এবং ভাই নজরুল ইসলাম। এরপর বহুবছরের পুরোনো জলকপাট ভেঙে গেলে পাউবো কর্তৃপক্ষ উল্লেখিত জমির মধ্যে নতুন জলকপাট নির্মাণ করেন।

মোর্শেদা বেগম জলকপাটের দক্ষিণ পাশে ৩১ শতক জমির মধ্যে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। এরপর তিনি সংসারের প্রয়োজন ঢাকায় পাড়ি জমান। দীর্ঘ বছর পরে ফিরে এসে দেখেন প্রতিবেশী কালাম হাওলাদার তার জমিটুকু দখল করে নিয়েছেন। 

বিএস রেকর্ডে মোর্শেদা বেগম গংদের ৮২ শতাংশ জমি এলাকার চাটুকার কালাম বেড়িবাঁধের বাহিরে পাশে রেকর্ড করিয়েছেন। মোর্শেদা বেগমের বাড়ির জমি পাউবোর নামে রেকর্ড হয়েছে। যাতে কালাম হাওলাদার তার বাড়ির মুখশা হিসেবে ভোগ দখল করতে পারমোর্শেদা বোগমের এলাকায় ফিরে আসার খবর পেয়ে ওই জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করেন কালাম হাওলাদার।

পরবর্তীতে মোর্শেদা বেগম তার ঘরটি নিজে বসবাস শুরু করেন। পরে বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে মোর্শেদা বেগমের অর্ধেশ জমি দখল করে নেন।প্রতিবেশী সানু মিয়া  এবিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এটি মোর্শেদার ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি, কিন্তু আবুল কালাম জোর করে দখল করছে।

অভিযুক্ত আবুল কালামের শ্বশুর নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার জানামতে ওই জমিতে মোর্শেদা দীর্ঘ বছর বসবাস করতেন। আমার বাড়িও এই জমির পাশেই অবস্থিত।

ভুক্তভোগী মোর্শেদা বেগম বলেন, “এটি আমার পৈতৃক জমি অথচ আবুল কালাম জোর করে এটি দখল করছে। এবং আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এমনকি স্থানীয় নেতাদের এনে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আমি ন্যায়বিচার চাইআবুল কালাম বলেন, “সরকার যখন সুইজগেট তৈরি করে, তখন জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল। পরে সরকার পার্শ্ববর্তী জমি থেকে তাঁদের ৮২ শতাংশ জমি দিয়েছে। বর্তমানে এটি সরকারের খাস জমি হিসেবে বিএস রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। আমার বাড়ির সম্মুখের খাস জমি আমিই দাবীদা

 নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির জানান, আমি স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে খাস জমির কিছু অংশ কালাম হাওলাদারের দখলে রেখে বাকি জমি মোর্শেদা বেগমকে বুঝিয়ে দিয়ে সীমানা পিলার স্থাপন করে দিয়েছি।

কিন্তু পরবর্তীতে শুনলাম প্রভাবশালী এক নেতার লোকজন গিয়ে আমাদের সীমানা সরিয়ে অর্ধেক জমি কালামের দখলে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি কামরুজ্জামান শহীদ মাতব্বর বলেন, বিরোধীয় ওই খাস জমিটুকু নিয়ে গত কয়েকমাস ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে। আমি স্থানীয় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সমান অংশে ভাগ করে দিয়েছি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।