শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

অধিকাংশ স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জিতবে : ফুয়াদ

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক টকশোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করা যায়, তবে জাতীয় নির্বাচনকে ফ্রি এবং ফেয়ার করার জন্য এটি সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।” উপস্থাপকের প্রশ্ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে দিলে কি দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে? এই প্রশ্নের […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৩

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক টকশোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তার মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করা যায়, তবে জাতীয় নির্বাচনকে ফ্রি এবং ফেয়ার করার জন্য এটি সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।”

উপস্থাপকের প্রশ্ন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে দিলে কি দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরি হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “প্রথম কথা হলো, যারা নির্বাচন চাচ্ছে না, বড় বড় দল হিসেবে বিএনপির বক্তব্য যেটা বারবার আসছে, তার যুক্তিটা কি?

তারা মনে করছে যে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের প্রশাসন, পুলিশদের উপর যে কর্তৃত্ব তৈরি হওয়া দরকার, তা এখনো তৈরি হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “নিউজের হেডলাইনে বলা হয়েছে যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক নাজুক হয়ে গেছে। এই অবস্থায় নির্বাচন করতে গেলে সারাদেশে যে প্রস্তুতি দরকার ভোটারদের জন্য, তারিখ অনুযায়ী হাল নাগাদ করার জন্য নির্বাচন কমিশন বলছে, ‘

আমাদের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।’ তাহলে এই সময়ে কতগুলো নির্বাচন সম্ভব? দ্বিতীয়ত, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয়, অর্থনীতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তবে সেই অবস্থায় এই মুহূর্তে অতিরিক্ত খরচ নেয়া কি ঠিক হবে?”

তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহিংসতা, সংঘাত এবং অন্তর্ঘাতী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এগুলো রক্তপাতের দিকে চলে যেতে পারে, যেটা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর মধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপাতত মুখে স্লাইটলি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে, তবে স্থানীয় প্রশাসনের দিকে গেলে এটা পূর্ণমাত্রায় রাজনৈতিক সহিংসতার দিকে চলে যেতে পারে। তারা মনে করছে, দলের নেতাকর্মীদেরও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।”

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “এই বাস্তবতায়, আমি কনভিন্স না যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে দেশে কোন ধরনের ক্ষতি হবে। যেখানে যুক্তি দেয়া হচ্ছে যে স্থানীয় নির্বাচন হওয়া উচিত নয়, সেই যুক্তিগুলো জাতীয় নির্বাচনেও প্রযোজ্য। যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারবে না, সে জাতীয় নির্বাচনে কি পারবে?”

তিনি আরও বলেন, “যেই নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে পারবে না, সে জাতীয় নির্বাচনেও পারবে না। যে নির্বাচন কমিশন সারা দেশে একই দিনে নির্বাচন করতে পারে, সেই কমিশন কি জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে তেমন সক্ষম হবে?”

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “বিএনপি যদি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়, তবে তাদের আশঙ্কার কোন জায়গা আমি দেখি না। স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন যদি করা হয়, তবে সেখানে অধিকাংশ বিএনপির প্রার্থী জয়ী হবে। বিএনপি আসলে কেন নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছে না, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

ফুয়াদ বলেছেন, “বটম লাইন কি? দিন শেষে জিতবে কারা এখানে? অধিকাংশ স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জিতবে। অতএব, সেইখানে বিএনপির আশঙ্কার কোন জায়গা তো আসলে আমি জেনুইনলি দেখতে পাচ্ছি না।তার যে পপুলার ভোট, বিএনপি কে চ্যালেঞ্জ করার মত কোন পলিটিক্যাল পার্টি তো নাই।”

তিনি আরও বলেন, “ফুয়াদ বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরো মন্তব্য করে বলেন, ঠিক যে কারণে নাগরিক কমিটি, সরকার সম্পর্ক কিংস পার্টি, এই যে আলোচনাটা হচ্ছে, ধারণা করা হচ্ছে বিএনপি,

পার্টিকুলারলি তার যেহেতু একটা ওয়ান ইলেভেন এর ট্রমা আছে, সে বোধ করছে যে আমি আবার একটা ওয়ান ইলেভেনের ট্র্যাপে পড়তে যাচ্ছি কিনা?

তিনি উল্লেখ করেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচন ফেইজ আউট করতে করতে, দেখা যাবে জাতীয় নির্বাচনটা আরো পিছিয়ে যাবে, হয়তো নেক্সট ইয়ার ডিসেম্বরে চলে যাবে।”

এই প্রেক্ষিতে ফুয়াদ বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ট্রমাকে সম্মান করা উচিত এবং “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়, সেখানে বিএনপিকে অনবোর্ড রেখে বিএনপিকে কনভিন্স করা উচিত।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, “অন্যথায়, আমাদের গণতন্ত্রের যাত্রাটা কালেক্টিভলি আবার হোচট খাবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭