সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এবার নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে ‘রাজনৈতিক প্রাণ’ ফিরে পেয়েছে বিএনপি। সারা দেশে সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছে দলটি। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টার্গেট সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা। এজন্য দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর দিচ্ছেন দলের নেতারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়েন সেজন্য মাঠে নেমেছে দলটির তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। হাইকমান্ডের নির্দেশে নেতাকর্মীদের আরও […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৯:১৯

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে ‘রাজনৈতিক প্রাণ’ ফিরে পেয়েছে বিএনপি। সারা দেশে সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছে দলটি। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টার্গেট সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা। এজন্য দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর দিচ্ছেন দলের নেতারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়েন সেজন্য মাঠে নেমেছে দলটির তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। হাইকমান্ডের নির্দেশে নেতাকর্মীদের আরও জবাবদিহির আওতায় আনতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। একইসঙ্গে দলীয় প্রতীক ধানের শীষের প্রচার-প্রচারণায় নেমেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থানে লুটপাট ও দখলবাজির অভিযোগ ওঠে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় বিব্রত বিএনপি হাইকমান্ড। এরই প্রেক্ষাপটে বহিষ্কারও হন কয়েকশ নেতাকর্মী। প্রথম থেকেই দুর্নীতি, লুটপাট, দখল ও নির্যাতন-নিপীড়নের বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বার্তা দেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও দলীয়শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানও নেন তিনি। আগামী দিনগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের আরও বেশি সতর্ক রাখা ও জবাবদিহির আওতায় আনতে এখন সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। তারই প্রাথমিক অংশ হিসাবে সারা দেশে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। ভবিষৎ বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনগণ নিয়ে তারেক রহমানের যে বার্তা তা দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে পৌঁছে দেবেন সংগঠনের নেতারা।
এদিকে শনিবার থেকে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী দলের তিন সংগঠন। ‘আমরা যদি থাকি সৎ-দেশ সংস্কার সম্ভব’ স্লোগান নিয়ে সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঝালকাঠিতে প্রথমদিন সভা করেছেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা। এছাড়াও আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকা, সংগঠনকে শক্তিশালী করা, সাংগঠনিক কাঠামো যাচাই-বাছাই করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কঠোর বার্তা তৃণমূলে পৌঁছাবেন তারা।
পাশাপাশি তৃণমূলের নেতা এবং বিএনপির কাছে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা কী, এ বিষয়েও জনগণের মতামত নেবেন তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। এদিকে আজ থেকে জেলায় দলের নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষ সংবলিত লিফলেট বিতরণ করবেন তারা। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাও যৌথ কর্মিসভা ও লিফলেট বিতরণ করবে ৩ সংগঠন। তবে এবারের লিফলেটে শুধু ধানের শীষ প্রতীক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ছাড়া কোনো লেখা কিংবা নেতার ছবি থাকছে না। নেতারা বলেন, যৌথ কর্মিসভার পরে সংশ্লিষ্ট জেলার থানা পর্যায়ে ধানের শীষ লিফলেট বিতরণ হবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে-দলকে তৃণমূল পর্যায়ে জনসম্পৃক্ত করা। দেশ ও জনগণকে নিয়ে বিএনপির চিন্তাধারা গণমানুষের মধ্যে শেয়ার করা।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন শনিবার  বলেন, সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবেই মাঠে নেমেছে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। আমাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও লক্ষ্য আগামী নির্বাচনের দিকে। এটাই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য। তিনি বলেন, এখন যারা সরকারে আসছেন, তারা নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের প্রধান অধিকার হচ্ছে ভোটের অধিকার। আশা করি, যত দ্রুত সম্ভব এই সরকার নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে বিদায় নেবে। সেজন্যে আমার এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছি, এখনো দিচ্ছি এবং অতি দ্রুত নির্বাচনের দাবি করছি। সেই সঙ্গে আমাদের দল ও অঙ্গ-সংগঠন সাংগঠনিক ও নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা  বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বর্পূণ। নির্বাচনের দিনক্ষণ সুনির্দিষ্ট না থাকলেও বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোও দ্রুত সময়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। এজন্য সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে বিএনপির। ধানের শীষের লিফলেট এটা একটা নির্বাচনি প্রস্তুতির সংকেত।
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন  বলেন, আমরা প্রথমে বিভাগীয় কর্মসূচি করেছি, এখন জেলায় জেলায় যাচ্ছি। আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে সংযত থাকে। মূলত কোনো বিশৃঙ্খলায় যাতে না জড়ান এবং প্ররোচিত হয়ে যাতে অপরাধ না করতে পারেন।
শৃঙ্খলায় নেতাকর্মীদের সতর্ক করার পাশাপাশি রাজনীতিতে একটা গুণগত পরিবর্তন আসুক এটা আমরা চাই। আগে কোথাও গেলে শত শত মোটরসাইকেল, গাড়িবহর রিসিভ করত। যা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হতো, জনভোগান্তি হতো। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যাতে এসব না হয় সে বিষয়ে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি করছি। বিনা কারণে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে এলাকা ছেয়ে দেওয়া, পার্টি অফিস ঢেকে দেওয়ার যে প্রবণতা, আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আসছি।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, যৌথ কর্মিসভায় নেতাকর্মীদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা দেওয়া হবে। নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত যে ষড়যন্ত্রগুলো হচ্ছে, এগুলো মোকাবিলা করে মাঠে থাকতে হবে। মাঠে দু-একটি বিশৃঙ্খলা ঘটছে, সেখান থেকে নেতাকর্মীরা যেন সচেতন থাকে, নিজেদের বিরত রাখে এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন না ঘটে, এসব বিষয়ে দলের নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশার কথাগুলো বিএনপিকে অবহিত করা হবে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭