রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এবার নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে ‘রাজনৈতিক প্রাণ’ ফিরে পেয়েছে বিএনপি। সারা দেশে সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছে দলটি। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টার্গেট সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা। এজন্য দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর দিচ্ছেন দলের নেতারা। বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়েন সেজন্য মাঠে নেমেছে দলটির তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। হাইকমান্ডের নির্দেশে নেতাকর্মীদের আরও […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৯:১৯

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে ‘রাজনৈতিক প্রাণ’ ফিরে পেয়েছে বিএনপি। সারা দেশে সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছে দলটি। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টার্গেট সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা। এজন্য দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর দিচ্ছেন দলের নেতারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়েন সেজন্য মাঠে নেমেছে দলটির তিন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। হাইকমান্ডের নির্দেশে নেতাকর্মীদের আরও জবাবদিহির আওতায় আনতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। একইসঙ্গে দলীয় প্রতীক ধানের শীষের প্রচার-প্রচারণায় নেমেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থানে লুটপাট ও দখলবাজির অভিযোগ ওঠে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় বিব্রত বিএনপি হাইকমান্ড। এরই প্রেক্ষাপটে বহিষ্কারও হন কয়েকশ নেতাকর্মী। প্রথম থেকেই দুর্নীতি, লুটপাট, দখল ও নির্যাতন-নিপীড়নের বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বার্তা দেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও দলীয়শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানও নেন তিনি। আগামী দিনগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের আরও বেশি সতর্ক রাখা ও জবাবদিহির আওতায় আনতে এখন সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। তারই প্রাথমিক অংশ হিসাবে সারা দেশে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছে বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। ভবিষৎ বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনগণ নিয়ে তারেক রহমানের যে বার্তা তা দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে পৌঁছে দেবেন সংগঠনের নেতারা।
এদিকে শনিবার থেকে যৌথ কর্মিসভা শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী দলের তিন সংগঠন। ‘আমরা যদি থাকি সৎ-দেশ সংস্কার সম্ভব’ স্লোগান নিয়ে সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঝালকাঠিতে প্রথমদিন সভা করেছেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা। এছাড়াও আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকা, সংগঠনকে শক্তিশালী করা, সাংগঠনিক কাঠামো যাচাই-বাছাই করা এবং দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কঠোর বার্তা তৃণমূলে পৌঁছাবেন তারা।
পাশাপাশি তৃণমূলের নেতা এবং বিএনপির কাছে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা কী, এ বিষয়েও জনগণের মতামত নেবেন তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। এদিকে আজ থেকে জেলায় দলের নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষ সংবলিত লিফলেট বিতরণ করবেন তারা। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাও যৌথ কর্মিসভা ও লিফলেট বিতরণ করবে ৩ সংগঠন। তবে এবারের লিফলেটে শুধু ধানের শীষ প্রতীক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ছাড়া কোনো লেখা কিংবা নেতার ছবি থাকছে না। নেতারা বলেন, যৌথ কর্মিসভার পরে সংশ্লিষ্ট জেলার থানা পর্যায়ে ধানের শীষ লিফলেট বিতরণ হবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে-দলকে তৃণমূল পর্যায়ে জনসম্পৃক্ত করা। দেশ ও জনগণকে নিয়ে বিএনপির চিন্তাধারা গণমানুষের মধ্যে শেয়ার করা।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন শনিবার  বলেন, সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবেই মাঠে নেমেছে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। আমাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও লক্ষ্য আগামী নির্বাচনের দিকে। এটাই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য। তিনি বলেন, এখন যারা সরকারে আসছেন, তারা নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের প্রধান অধিকার হচ্ছে ভোটের অধিকার। আশা করি, যত দ্রুত সম্ভব এই সরকার নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে বিদায় নেবে। সেজন্যে আমার এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছি, এখনো দিচ্ছি এবং অতি দ্রুত নির্বাচনের দাবি করছি। সেই সঙ্গে আমাদের দল ও অঙ্গ-সংগঠন সাংগঠনিক ও নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা  বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আগামী নির্বাচন খুবই গুরুত্বর্পূণ। নির্বাচনের দিনক্ষণ সুনির্দিষ্ট না থাকলেও বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোও দ্রুত সময়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। এজন্য সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি রয়েছে বিএনপির। ধানের শীষের লিফলেট এটা একটা নির্বাচনি প্রস্তুতির সংকেত।
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন  বলেন, আমরা প্রথমে বিভাগীয় কর্মসূচি করেছি, এখন জেলায় জেলায় যাচ্ছি। আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে সংযত থাকে। মূলত কোনো বিশৃঙ্খলায় যাতে না জড়ান এবং প্ররোচিত হয়ে যাতে অপরাধ না করতে পারেন।
শৃঙ্খলায় নেতাকর্মীদের সতর্ক করার পাশাপাশি রাজনীতিতে একটা গুণগত পরিবর্তন আসুক এটা আমরা চাই। আগে কোথাও গেলে শত শত মোটরসাইকেল, গাড়িবহর রিসিভ করত। যা সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হতো, জনভোগান্তি হতো। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যাতে এসব না হয় সে বিষয়ে আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি করছি। বিনা কারণে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে এলাকা ছেয়ে দেওয়া, পার্টি অফিস ঢেকে দেওয়ার যে প্রবণতা, আমরা সেখান থেকে বের হয়ে আসছি।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, যৌথ কর্মিসভায় নেতাকর্মীদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা দেওয়া হবে। নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে। নির্বাচনের আগ পর্যন্ত যে ষড়যন্ত্রগুলো হচ্ছে, এগুলো মোকাবিলা করে মাঠে থাকতে হবে। মাঠে দু-একটি বিশৃঙ্খলা ঘটছে, সেখান থেকে নেতাকর্মীরা যেন সচেতন থাকে, নিজেদের বিরত রাখে এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন না ঘটে, এসব বিষয়ে দলের নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশার কথাগুলো বিএনপিকে অবহিত করা হবে।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১