সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘আলেমদের যারা নির্যাতন করেছে বাংলার জমিনে তাদের বিচার হবেই’

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগকেও বিপদে ফেলে গেছে। আমরা অন্যায়ভাবে কারো প্রতি জুলুম করতে বিশ্বাসী নই। তবে আমাদের ওপর যারা হামলা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে, আল্লামা সাঈদীসহ কোরআনের পাখি আলেমদের যারা বিনা কারণে অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে, […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৩২

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগকেও বিপদে ফেলে গেছে। আমরা অন্যায়ভাবে কারো প্রতি জুলুম করতে বিশ্বাসী নই। তবে আমাদের ওপর যারা হামলা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে, আল্লামা সাঈদীসহ কোরআনের পাখি আলেমদের যারা বিনা কারণে অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে, নির্যাতন করেছে বাংলার মাটিতে তাদের বিচার হবেই।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিরোজপুর সদরের মাছিমপুর নূরানী তালিমুল কুরআন মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মাসুদ সাঈদী বলেন, শেখ হাসিনার হাত বাংলাদেশের হাজার হাজার আলেমের রক্তে রঞ্জিত। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে। হাজারো মানুষকে হত্যার মাধ্যমে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার বুদ্ধিদাতা, পরামর্শদাতা এবং শেখ হাসিনার গডফাদার ভারতের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ থেকে তারা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। সে কারণে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জড়িত সকল দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাবন্দি করেছিল।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিল তিনি শেখের মেয়ে, তিনি পালান না। কিন্তু দিনশেষে আমরা দেখতে পেলাম হেলিকপ্টারে করে পরিবার নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তিনি দেশের সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে অর্থনৈতিক অবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে তার দল ও আত্মীয়-স্বজন চেটেপুটে খেয়েছে।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে আরও বলেন, শেখ হাসিনার হাতে এই পর্যন্ত যত বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে প্রত্যেকটির বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে উপস্থিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের দাবি খুনি হাসিনাকে ভারত থেকে ধরে এনে বাংলাদেশে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তাকে প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে আসছি ১৯৭১ সাল থেকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে আমরা মনে করেছিলাম বোধহয় আমাদের মুক্তির সংগ্রাম শেষ হল। কিন্তু কষ্টের সঙ্গে বলতে হয় সেই মুক্তির সংগ্রাম আজও শেষ হয়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শেষ হয়নি। ভোটের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম শেষ হয়নি। শেখ হাসিনা এবং তার দলের নেতাকর্মীদের কাছেই বাংলাদেশের অর্জিত আয়ের অধিকাংশ সম্পদ কুক্ষিগত ছিল। বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে টাকার পাহাড়। জনগণের অর্থ লুটপাট করে তারা তাদের নিজেদের আখের গুছিয়েছে।
সাবেক এ উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বাংলার মানুষ যেভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তি চেয়েছিল, একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের জনগণ এই স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তির জন্য জীবনময়ী এক সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েছিল। যে সংগ্রামের ফসল হিসাবে আমরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমরা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে আমাদের শতশত সন্তানের রক্ত দিতে হয়েছে। আমাদের হাজারো সন্তান আহত হয়েছেন। আমাদের শত শত সন্তান চিরতরে চোখের আলো হারিয়েছেন।
মাসুদ সাঈদী বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার অভিলাসে শেখ হাসিনা গুলি করে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু তারা ছাত্রদেরকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলন যারা করতেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের যারা তাদেরকে শতাব্দীর নিকৃষ্টতম মিথ্যা সব অভিযোগে তাদেরকে কারাগারে আটকে রেখেছিল। আমাদের নেতাদের মধ্যে ১১ জনকে তারা হত্যা করেছে।
পিরোজপুর পৌর সভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ওয়ার্ড সভাপতি মো. ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জহিরুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন জিয়ানগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।
৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১