মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইন্ডিয়ান দুর্বৃত্তদের যেখানে দেখবেন সেইখানেই দাবড়ানি দিবেন : পিনাকী

ইন্ডিয়ান দুর্বৃত্তদের যেখানে দেখবেন সেইখানেই দাবড়ানি দিবেন এমন কথা বলেন পিনাকী ভট্টাচার্য। ইন্ডিয়ান এজেন্টরা মূলত ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করে, যারা বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দেশের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করে। তবে, পিনাকী বিশ্বাসের মতে, এই এজেন্টরা মাঠে সক্রিয় থাকলে, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ […]

ইন্ডিয়ান দুর্বৃত্তদের যেখানে দেখবেন সেইখানেই দাবড়ানি দিবেন : পিনাকী

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:৩৬

ইন্ডিয়ান দুর্বৃত্তদের যেখানে দেখবেন সেইখানেই দাবড়ানি দিবেন এমন কথা বলেন পিনাকী ভট্টাচার্য।

ইন্ডিয়ান এজেন্টরা মূলত ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করে, যারা বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দেশের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করে। তবে, পিনাকী বিশ্বাসের মতে, এই এজেন্টরা মাঠে সক্রিয় থাকলে, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

পিনাকী বিশ্বাসের এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। তার মতে, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের উপর নজর রাখছে না, বরং তারা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে।

এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে, যেখানে দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে।”দাবড়ানি দিতে বললেন”—এই শব্দটি পিনাকী বিশ্বাসের বক্তৃতায় গুরুত্বপূর্ণ। এটি সম্ভবত বোঝাতে চাচ্ছে যে, ভারতীয় এজেন্টরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হতে পারে।

এর ফলে কিছু রাজনৈতিক দল এবং গোষ্ঠীকে সুবিধা প্রদান করা, কিংবা দেশের সরকারকে আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ফেলা হতে পারে। পিনাকী সম্ভবত এমন এক পরিস্থিতি কল্পনা করছেন, যেখানে ভারতীয় এজেন্টরা কৌশলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দলগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করে।বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে এখন এই পরিস্থিতির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

বিদেশি শক্তির প্রভাব থেকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির উচিত, নিজেদের দেশীয় স্বার্থ রক্ষা করতে আরও সজাগ হওয়া, এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দক্ষতা ও পরিপক্বতা প্রদর্শন করা।

পিনাকী বিশ্বাসের মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি একধরনের সতর্কবার্তা। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, রাজনৈতিক সম্পর্ক শুধু রাষ্ট্রীয় স্তরে নয়, জনগণের মধ্যে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে, সঠিক কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে দেশকে আন্তর্জাতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা প্রয়োজন।

বর্তমানে, ভারতীয় এজেন্টদের মাঠে সক্রিয়তার বিষয়টি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পিনাকী বিশ্বাসের মন্তব্য একটি গভীর সংকেত দেয়, যেখানে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে যদি ইন্ডিয়ান এজেন্টরা তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে।

তাই, দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক শান্তি বজায় রাখতে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলি ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১