শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

‘আলো আসবেই’ নিয়ে মুখ খুললেন গ্রুপের অ্যাডমিন শামীমা তুষ্টি

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না। আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:৪১

এবার মুখ খুললেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘোরবিরোধী ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের অ্যাডমিন অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। উপলব্ধি শিরোনামে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তাতেও খুব একটা ভালো ফল মেলেনি। আওয়ামী সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের কবল থেকে মুক্তিকামী সাধারণ জনতা অভিনেত্রীকে কোনো ছাড় দিচ্ছেন না।

আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার গায়ে গরম জল ঢালতে চাওয়া আলো আসবেই গ্রুপের অন্যতম সদস্য শামীমা তুষ্টি তার পোস্টে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে যা লিখতে যাচ্ছি, আমি জানি, তার জন্য আমি গালি ও ট্রোলের সম্মুখীন হতে পারি। তবুও আমি আমার পজিশন ক্লিয়ার করতে চাই।

এরপর তিনি লিখেছেন, আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই যে আমি একটা রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। এটার কারণ আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এবং ১৯৬৫ সালে বাবা মালিবাগ আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ছিলেন, তাই আমার বাড়িতে সবসময় এই পরিবেশই ছিল যেখানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আমি আমার নিজের পক্ষ ভেবেছি। আমার এই পক্ষপাতিত্ব যে ভুল তাও আমি মনে করি না। আমি মনে করি, আমি আমার অংশগ্রহণ ঠিক বিবেচনা করেই করেছি। কিন্তু এই দলের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আমার নিজের কিছু বিচার-বিবেচনা আছে।

অভিনেত্রী লিখেছেন, আপনারা সকলেই জানেন কেউ কোনো দলের কর্মী হিসাবে কাজ করে, তখন তার সেই দলের নেতাদের কথামতো কাজ করতে হয়। সেসব দলীয় নির্দেশনার বিপক্ষে গিয়ে কাজ করার পরিস্থিতি থাকে না। এবং আমি তা করতেও চাই না দলের কর্মী হিসাবে। তাই বলে এই হত্যাকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এই নৃশংসতার আমি সমর্থক নই। এক মিনিটের জন্যও ছিলাম না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে বহু কর্মীই তা ছিলেন না।

শামীমা আরও লিখেছেন, আমাদের অনেকেরই পজিশন নেয়া দরকার ছিল। অনেক আগেই দরকার ছিল। আমি জানি, আপনাদের অনেকে এই কথাতেও ক্ষুব্ধ হবেন। কিন্তু আশা করি এটা মানবেন যে, আমরা বাংলাদেশে কী ঘটছে তাও জানতে দেরি করেছি। দলীয় রাজনীতির মধ্যেও খবর ফিল্টার হয়।

এরপর তিনি লিখেছেন, যার সন্তান গেছে তার অবস্থা ভেবেছি। প্রতি মুহূর্তে আমি, আমাদের কেউ কেউ, একটা পজিশন নিতে গেছি। সেসব পজিশন কারো না কারো কারণে অন্য আরেকটা পজিশন হয়ে গেছে। আমরা বিটিভিতে গেছি শিল্পীরা সহিংসতা ও ছাত্রদের হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে , করেছেনও, তবে সেটা সংবাদে তেমন করে আসেনি, কিন্তু যা এসেছে তাতে আরও ভুল বোঝার জায়গা তৈরি হয়েছে। তবে যা দেখা গেছে সেটাও ঠিক না তা আমি বলবো না। আমরা হাসপাতালেও আহতদের দেখতে গেছি। আর তখনো আমি সকল কিছু বুঝে উঠতে পেরেছি তেমন না।

পোস্টের মাঝামাঝি অভিনেত্রী লিখেছেন, আমরা যে যাই ভাবি না কেন, দল মূলত কী কী করতে যাচ্ছে বা কী করবে, তা সম্পূর্ণ জানার উপায় আমাদের ছিল না। আমি এসব কথা বলে পক্ষ-বদলের চেষ্টা করছি না। বরং আমার দলের পক্ষে যেসব মারাত্মক ভুল ছিল আমার যে সব বোঝাবুঝি ছিল সেগুলোর কারণে আমার দোনোমনা আর পরিস্থিতির কথা আপনাদের জানাতে এসেছি। আমি একটা সংগঠন করি যেখানে সিংহভাগই এই হিংস্রতা, এই হত্যার সমর্থক নয়। কিন্তু আমাদের কোনো একটা পজিশন কীভাবে নিতে পারি তা ভাবতে ভাবতেই প্রতিদিন আরও নতুন মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন আরও বেশি করে আপনাদের থেকে দূরে সরে গেছি।

আলো আসবেই গ্রুপের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি একটা হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপে ছিলাম। সেখানেও আমি বলেছি যে সকলের সাথে গিয়ে আলাপ করতে হবে। এগুলো বন্ধ করা দরকার। কিন্তু ঘটনা এত দ্রুত ঘটছিল আমি যা সমর্থন করি না তা আপনাদের জানানোর সুযোগ পাইনি। তাছাড়া আমার অনেক সহকর্মীরাও এসবের ভিতরে ছিলেন, পরে হয়তো থাকেননি। তারাও আমাকে অনেক গালাগাল করেছেন তবু আমি বলতে চাই যে আমি আমার সহকর্মীদের জন্য অনেক কিছুই করার চেষ্টা করেছি। এখনো তাই করবো। এছাড়াও আমরা আমাদের সিনিয়র সহকর্মীদের সাথেও যোগাযোগ করতে পরিনি এক সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য। সেসব ও আমাকে ভাবিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখনও আপনাদের সামনে এসে কথা বলতে দেরি করেছি। যে ঘৃণার সম্মুখীন আমরা, যে গালাগালি আমি খেতে পারি সেসবের ভয়েই আরও আরও দেরি করে ফেলেছি। কিন্তু আমি নিজেকে বুঝিয়েছি, এইসব সমালোচনা আর গালি আর ট্রোল আমার গ্রহণ করতে হবে। আর সেসবের মধ্য দিয়েই শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে।

পোস্টের শেষের দিকে শামীমা লিখেছেন, আপনারা দয়া করে ভুল বুঝবেন না। আমি দলবদলের ইচ্ছা থেকে আসিনি। আমি যে দলে ছিলাম সেই দলের নেতৃবৃন্দের সকল কার্যক্রম যে আমি সমর্থন করি না সেটা জানাতে এসেছি। আমি জানাতে এসেছি আমি দল করলেও নিজের বিচারবুদ্ধি বিবেক-বিবেচনা বিক্রি দিয়ে আমি দল করি না। আমি অনেক দেরিতে আপনাদের সামনে এসেছি। কিন্তু আমার অনুভূতি নতুন নয়। শুরু থেকেই হচ্ছিল। আমি সত্যি সত্যি ট্রোল-গালির ভয়েই আমি আগে লিখিনি। অনেক ট্রোল আর গালি নেবার মতো মানসিক অবস্থায় ছিলাম না। এখন কিছুটা কিছুটা নিজেকে সংযত করতে পেরেছি। সহ্য করার মতো ধৈর্য আশা করি আমার হবে, আপনাদের সকল কথা নেবার। সেরকম জায়গা থেকেই আমার অবস্থান আমি আপনাদের কাছে পরিষ্কার করলাম। আমি সকলের মঙ্গল কামনা করছি। শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বাংলাদেশে বিফলে না যায় সেই প্রত্যাশা করছি।

পোস্টের শেষে নিজের নাম ও দিন তারিখ লিখে দিয়েছেন অভিনেত্রী। আলো আসবেই গ্রুপে আরও যুক্ত ছিলেন, ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। সেই তালিকায় ছিলেন— সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, নির্মাতা মিলন ভট্টাচার্য, এস এ হক অলীকসহ অনেকে।

বিনোদন

‘নেপালে ভয়াবহ বন্যা, চিন্তা করবেন না,দোয়া করবেন যেন নিরাপদে দেশে সন্তানের কাছে ফিরতে পারি’: অপু বিশ্বাস

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সেখানে আটকা পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও তার সিনেমার টিম। তবে তারা বর্তমানে নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নেপালে আকস্মিক ভূমিকম্প ও বন্যায় শত শত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ‘শিকার’ […]

‘নেপালে ভয়াবহ বন্যা, চিন্তা করবেন না,দোয়া করবেন যেন নিরাপদে দেশে সন্তানের কাছে ফিরতে পারি’: অপু বিশ্বাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৫

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সেখানে আটকা পড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও তার সিনেমার টিম।

তবে তারা বর্তমানে নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নেপালে আকস্মিক ভূমিকম্প ও বন্যায় শত শত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ‘শিকার’ সিনেমার টিম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছি। আমরা দেশটির পোখারাতে নিরাপদে আছি।’

নিজের জন্য ভক্তদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ করে অপু বলেন, ‘আমার জন্য চিন্তা না করে সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিরাপদে দেশে আমার সন্তানের কাছে ফিরতে পারি।’

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আগামীকাল (২৭ আগস্ট) কাঠমান্ডু যাবো। ফ্লাইটে অনেক রাশ চলছে। কাঠমান্ডু থেকে পরশুদিনের (শুক্রবার) ফ্লাইটে ঢাকা ফিরবো।’

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে নেপালে যান অপু বিশ্বাস। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কামরুজ্জামান রোমান। এতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন মুরতজা পলাশ। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা রজতাভ দত্ত, শ্যাম ভট্টাচার্যসহ আরও অনেকে অভিনয় করছেন।

বিনোদন

হাইকোর্টে চিত্রনায়ক রিয়াজ, জুলাই হত্যা মামলায় জামিন আবেদন বাতিল

২৪-এর জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন পাননি চিত্রনায়ক রিয়াজ।তিনি আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার আগাম জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার […]

হাইকোর্টে চিত্রনায়ক রিয়াজ, জুলাই হত্যা মামলায় জামিন আবেদন বাতিল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫০

২৪-এর জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন পাননি চিত্রনায়ক রিয়াজ।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার আগাম জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলা। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি করা হয়।

এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা

তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান।এ মামলায় সাংবাদিকদের মধ্যেও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ও এটিএন নিউজের মুন্নী সাহাসহ মোট ১৫ জন সাংবাদিকের নাম রয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুনসহ ১৩ জন।

এ ছাড়া ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অন্য একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

বিনোদন

‘কেউ স্থায়ী নয়’,এই ছাত্রদল-যুবদল কেউ থাকবে না, ছাত্রলীগ-যুবলীগও দেখেছি’: আসিফ আকবর

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। ছাত্রদল-যুবদলের বর্তমান নেতৃত্বও একসময় থাকবে না, যেমন আগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতৃত্ব পরিবর্তিত হতে দেখেছেন তারা। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে আসিফ আকবর বলেন, ‘যুগে যুগে থাকে, শুধু ভোল্টটা পরিবর্তন হবে।’ রাজনীতিতে পোশাক ও প্রতীকের পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের […]

‘কেউ স্থায়ী নয়’,এই ছাত্রদল-যুবদল কেউ থাকবে না, ছাত্রলীগ-যুবলীগও দেখেছি’: আসিফ আকবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৩

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। ছাত্রদল-যুবদলের বর্তমান নেতৃত্বও একসময় থাকবে না, যেমন আগে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতৃত্ব পরিবর্তিত হতে দেখেছেন তারা।

মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে আসিফ আকবর বলেন, ‘যুগে যুগে থাকে, শুধু ভোল্টটা পরিবর্তন হবে।’ রাজনীতিতে পোশাক ও প্রতীকের পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রকাশও বদলে যায়।

বিএনপি সরকারে আসার আগের একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ তুলে আসিফ আকবর বলেন, তখনই তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু কথা বলেছিলেন। তার ভাষায়, ‘এই ছাত্রদল-যুবদলের কেউ থাকবে না। ওই আমরা ছাত্রলীগ-যুবলীগও দেখছি।’

তিনি বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে দেশ ও দলকে ভালোবাসেন, তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তবে দলীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন সময় নতুন লোকের প্রবেশ ঘটবে—এটি স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজনীতিতে পরিবর্তনের জন্য সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মীদেরও আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান আসিফ আকবর। নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই তিনি কাজ করে যাবেন। এ প্রসঙ্গে নিজের গানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন এই সংগীতশিল্পী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ বিএনপি, কেউ জামায়াত, কেউ এনসিপি বা কমিউনিস্ট পরিচয় বহন করছেন। কিন্তু সবার আগে নিজেদের বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আসিফ আকবর বলেন, দেশের এই বিভাজন তাকে ভাবিয়ে তুলছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় পরিচয়ের জায়গায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।