মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

৩০০০ কোটি টাকা লোপাট বাখরাবাদ গ্যাসের এমডি শংকর বাবুর

সাড়ে তিন বছরে ঘুস আর দুর্নীতির মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা লোপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক এমডি শংকর বাবু ও কোম্পানিটির কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী ও বেসরকারি কিছু ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এমডি শংকর বাবু সম্পদের পাহাড় গড়েছেন স্ত্রী-পুত্র শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজনের নামে। স্ত্রী ও পুত্রের নামে কুমিল্লার কালীরবাজারে […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৩:৩৯

সাড়ে তিন বছরে ঘুস আর দুর্নীতির মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা লোপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক এমডি শংকর বাবু ও কোম্পানিটির কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী ও বেসরকারি কিছু ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।

এমডি শংকর বাবু সম্পদের পাহাড় গড়েছেন স্ত্রী-পুত্র শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়স্বজনের নামে। স্ত্রী ও পুত্রের নামে কুমিল্লার কালীরবাজারে কিনেছেন ১৩০ বিঘা জমি। চট্টগ্রাম, ফ্ল্যাট, বাড়ি, মিরসরাইয়ে বাড়ি, মিরসরাই মৌজায় ১৫০ বিঘা জমি। পরিবারের সবাই ধনী তার হাত ধরে। অবৈধ উপায়ে ১৫-২০ হাজার পরিবার, শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ফিলিং স্টেশন মালিকের কাছ থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অবৈধ সংযোগ দেওয়া, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নামে, নতুন সংযোগ দেওয়ার নামে, অবৈধ সংযোগ দিয়ে এমডি শংকর বাবু গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। তার দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের আরও অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জন।

বিভিন্ন অজুহাতে সংযোগ কেটে দিয়ে ও সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে কুমিল্লার আলেখারচড় বিশ্বরোড সাবুরিয়া সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, মাস্টার সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, রাহাত সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, বুড়িচং খোরশেদ আলম সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া এমডি শংকর বাবুর শ্বশুরবাড়ি এলাকা কালিবাজার এলাকা, কুমিল্লা সদর, শংকর পুর, দুর্গাপুর, মনিপুর, করিঅলপাড়া, মোকাম, পাঁচকিতা, কোরাপাই, নিমসার, বুড়িচং কাছারিতলা, মহিনপুর, রামপুর, কুসুমপুর, কামাড়খাড়া গ্রামের ১৫-২০ হাজার পরিবারের কাছে থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন হাজার কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচয় দিতেন এমডি শংকর বাবু। কাউকে কোনো পাত্তাই দিতেন না। সব কিছুই করতেন নিজের ইচ্ছামতো। ঘুসের টাকা পেতেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বোর্ড চেয়ারম্যান পর্যন্ত।

কামাড়খাড়া এলাকায় ঠিকাদার মনির হোসেন বলেন, আমাদের কাছ থেকে এই এমডি সংযোগ দেওয়ার নামে নিয়েছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা। সংযোগ দেওয়ার নামে পরে আর সংযোগ দেওয়া হয়নি। গ্রাহকরা আমাকে ধরেন। এমনভাবে কুমিল্লাসহ নোয়াখালী, ফেনী বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছ থেকে নিয়েছেন প্রায় ২০০০ কোটি টাকা।

ঠিকাদার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শংকর বাবু ঘুস ছাড়া কিছুই বুঝতেন না। যখন খুশি কাউকে সংযোগ দিতেন, যখন খুশি তিনি সংযোগ বন্ধ করে দিতেন। তার ইশারায় চলত কুমিল্লা বাখরাবাদ গ্যাস অফিস। কেউ তাকে ভয়ে কিছু বলতে পারতো না। তার ইশারা ছাড়া কোনো ফাইল নড়ত না।

কুমিল্লা বুড়িচং ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন বুড়িচং খোরশেদ আলম সিএনজি মালিক মো. খোরশেদ আলম বলেন, শংকর বাবু আমাকে অনেক হয়রানি করেছেন। তার নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে আমার কাছে ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন আমি না দিলে আমাকে ২ বছর হয়রানি করেছেন। আমাকে ঘুরতে হয়েছে টেবিলে টেবিলে। ঘুস ছাড়া ফাইল নড়ে না। আড়াই বছর পর আমি সুপ্রিম কোর্টে তার বিরুদ্ধে মামলা করে নতুন করে সংযোগ পাই।

কুমিল্লা আমতলী সাবুরিয়া সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের মালিক মাসুদুর রহমান বলেন, আমার কাছে চেয়েছিল ১৫ কোটি টাকা আমি দিতে না চাইলে আমার সংযোগটি কেটে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় আমার পাম্প। আমাকে হয়রানি করা হয় ৩ বছর ধরে। পরে আমি এমডির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট মামলা দায়ের করেছি। মামলা হাইকোর্টে চলমান।

তিনি বলেন, এমডি শংকর বাবু সব সময় নিজেকে অনেক ক্ষমতাসীন মনে করতেন, কাউকে কোনো পাত্তা দিতেন না।

মনিপুর এলাকার গ্রাহক ইসমাইল হোসেন বলেন, বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার নামে ঠিকাদারের মাধ্যমে আমার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়েছেন শংকর বাবু। এরপরও আমি সংযোগ পাইনি।

কড়িহলপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহীম হোসেন বলেন, আমার এলাকায় গ্যাস দেওয়ার কথা বলে, বাখরাবাদ গ্যাস অফিসের ঠিকাদার আওয়ামী লীগের এক নেতা নিয়েছেন প্রায় ২ কোটি টাকার মতো কিন্তু গ্যাস সংযোগ দেননি। আমরা আজও ঠিকাদারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। এমন অভিযোগ যেন বাখরাবাদে হাজারে হাজার।

এদিকে বক্তব্য জানতে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সাবেক এমডি শংকর বাবুর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের বর্তমান এমডি আনোয়ারুল বলেন, আমি বেশিদিন হয়নি যোগদান করেছি। অনেক অবৈধ সংযোগের অভিযোগ পেয়েছি। কয়েকশ অবৈধ সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছি। মামলা হয়েছে। আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেছি।

বছরের পর বছর ফাইল পড়ে থাকার বিষয়ে বর্তমান এমডি বলেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।