সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

বাংলাদেশে তেল শোধনাগার নির্মাণে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী আরামকো

আরামকো বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী। সংস্থাটির বঙ্গোপসাগরে একটি তেল শোধনাগার স্থাপন করতে চায়। এখানে একটি তেল শোধনাগার থাকলে এবং তেলজাতীয় পণ্য উৎপাদন করলে সেখান থেকে বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো বাংলাদেশে তেল শোধনাগার নির্মাণে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতন ঈসা ইউসুফ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৩:৩৪

আরামকো বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী। সংস্থাটির বঙ্গোপসাগরে একটি তেল শোধনাগার স্থাপন করতে চায়।
এখানে একটি তেল শোধনাগার থাকলে এবং তেলজাতীয় পণ্য উৎপাদন করলে সেখান থেকে বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো বাংলাদেশে তেল শোধনাগার নির্মাণে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতন ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘সৌদি-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি: প্রবণতা, মূল চ্যালেঞ্জ এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্ভাবনার বিষয়ে নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের সহায়তায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।
কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রণালয় এবারই প্রথম কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আরামকো বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী। সংস্থাটির বঙ্গোপসাগরে একটি তেল শোধনাগার স্থাপন করতে চায়। এখানে একটি তেল শোধনাগার থাকলে
এবং তেলজাতীয় পণ্য উৎপাদন করলে সেখান থেকে বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দা বা দাম্মামের মধ্যে একটি সুমদ্রপথ তৈরি করতে পারি, তবে সেটি বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।
এই তেল শোধনাগারের পণ্য চীন, ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাঠানো সম্ভব।
একই অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বর্তমান সরকার অবস্থার পরিবর্তন করার চেষ্টা করছে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য আমরা ব্যবসা সহজ করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।
এখন যদি সৌদি বিনিয়োগকারীরা আসেন তবে ভালো একটি পরিবেশ দেখতে পাবেন বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন,আমরা সংস্কারের লক্ষ্যে এক থেকে দেড় বছরের জন্য এসেছি। আমরা বেশি দিন থাকব না।
কিছু ভালো কাজের উদাহরণ রেখে যেতে চাই।
আমরা পদচিহ্ন রেখে যাব, অন্যরা যেন সে পথে এগিয়ে যেতে পারেন।

পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) নজরুল ইসলাম এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিচালক এম মাসরুর রিয়াজ।

বানিজ্য

বাজারের ব্যাগ ভরতে বাড়তি খরচ, ডিমের হালি ৫৫ টাকা

রাজধানীর বাজারে ডিম, সবজি ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৬৫ টাকা এবং অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪০

রাজধানীর বাজারে একই সঙ্গে বেড়েছে ডিম, সবজি ও সয়াবিন তেলের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা যোগ হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে হালিপ্রতি ৫৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।

আমিষের সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে পরিচিত ফার্মের ডিমের দাম এখন প্রতি ডজন ১৬৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ডজন হিসেবে কিনলেও এখন আর আগের মতো দাম কম রাখার সুযোগ নেই।

তেল-সবজিতেও বাড়তি চাপ

নতুন দাম নির্ধারণের পরও খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গত সপ্তাহের তুলনায় লিটারে ৫ টাকা বেড়ে তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকায়।

সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। আগাম শিম কিনতে সবচেয়ে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম উঠেছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া গেলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা ও গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। বরবটি, ঝিঙে, করলা ও কচুরমুখির কেজি ৮০ টাকা। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম রাখা হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন একই পরিমাণ মরিচ কিনতে দিতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। তবে পেঁপের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা থাকায় এই সবজিতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

বাজার করতে আসা ইব্রাহিম জানান, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অন্তত ১০ টাকা করে বেড়েছে। ৮০ টাকার নিচে খুব কম সবজি পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো ও বেগুনের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের কেজিও ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

শাকের দামে তুলনামূলক স্বস্তি

অন্যান্য সবজির তুলনায় শাকের দাম কম রয়েছে। লাল ও কলমি শাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, কচু শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং ডাঁটা শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি পুঁইশাকের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ শাকের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

মাংস স্থির, মাছের বাজার চড়া

মুরগি ও গরুর মাংসের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতেও ক্রেতাদের বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। রুই-কাতলা পাওয়া যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। বড় রুইয়ের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা হলেও মাঝারি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

চিংড়ির কেজি আকারভেদে এক হাজার থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ও শোল ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

চাষের কই প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছসহ কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। দেশি ও বেশি চাহিদাসম্পন্ন মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে নদীর বেলে মাছ কিনতে এক হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে।

বানিজ্য

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট […]

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম।

আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৪টি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।