শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পাট ফিরেছে পুরাতন রূপে ‘সোনালী আঁশ’

পাট সোনালী আঁশ নামে পরিচিত হলেও এই যুগে পাটের কোন পরিচিতিই ছিল না । ইদানিং পলিথিন বাজেয়াপ্ত করার কারণে সোনালী আঁশ আবারও তার পুরাতন ঐতিহ্য আভিজাত্য ফিরে পেয়েছে । গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার কৃষকরা পাটের যে উচ্চ মূল্য পেয়েছে, তাতে কৃষকরা পাট চাষে ব্যাপক উৎসাহ বোধ করছে এবং পুরাতন এই বিলুপ্তপ্রায় চাষাবাদে আবার কৃষকরা […]

নিউজ ডেস্ক

১০ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:৪২

পাট সোনালী আঁশ নামে পরিচিত হলেও এই যুগে পাটের কোন পরিচিতিই ছিল না । ইদানিং পলিথিন বাজেয়াপ্ত করার কারণে সোনালী আঁশ আবারও তার পুরাতন ঐতিহ্য আভিজাত্য ফিরে পেয়েছে । গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার কৃষকরা পাটের যে উচ্চ মূল্য পেয়েছে, তাতে কৃষকরা পাট চাষে ব্যাপক উৎসাহ বোধ করছে এবং পুরাতন এই বিলুপ্তপ্রায় চাষাবাদে আবার কৃষকরা মনোযোগী হয়ে উঠছে । মূলত পলিথিনের উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় পাটকল গুলো বন্ধের কারণে পাট শিল্পের এই দুরবস্থা ।

পাটের চাষাবাদ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন বলেন, ‘চলতি বছরে ৩ হাজার ৯ শত ৯৫ হেক্টর জমি আবাদ হয়েছিল এবং উৎপাদন ৯৫৪৮ মেঃ টন হয়, যা গত বছরে ৪০৮৩ হেক্টর জমিতে ৯৭১৮ মেঃ টন উৎপাদন হয়ে ছিল।’

বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমী রংপুর বিভাগের পাঁচটি জেলায় ৫৪ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে । উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৫৪ বেল পাট । জেলা গুলো হল রংপুর, নীলফামারী, লালমনিহাট, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা ।

রংপুর ডিএই তথ্য মতে, রংপুর বিভাগে ২০২৩ সালে প্রায় ৭০ হাজার কৃষক ৫১ হাজার ৬২৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছিল । তার আগের বছর ২০২২ সালে পাটের জমির পরিমাণ ছিল ৫৬ হাজার । এই পরিসংখ্যান গত ১০ বছরে নিয়ে গেলে দেখা যায়, এই অঞ্চলে পাট চাষ কমেছে অন্তত ৪০% আর ২০ বছরের পরিসংখ্যান দেখলে দেখা যাবে এ অঞ্চলে ৭০% পাট চাষ কমেছে ।

তথ্য মোতাবেক, এক হেক্টর জমিতে কমপক্ষে ৫০ থেকে ১৮ মণ পাট উৎপাদন করা যায় । বর্তমানে এই অঞ্চলে বিভিন্ন বাজারে প্রতি মণ পাট বিক্রি হয় ২৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় । যা গত বছর ছিল ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা । অন্যদিকে প্রতি মণ পাট কাঠি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়।

আমিনুর রহমান একজন কৃষক যিনি প্রতিবছর পাট চাষ করে থাকেন তিনি বলেন, ‘পাটের দাম যাই হোক না কেন আমার জমিগুলো নিচুতে তাই আমাকে পাট চাষ করতেই হয় । কিন্তু এ বছর পাঠের দাম যে এত হবে তা কখনো কল্পনা করতে পারিনি । ভালো দাম পেয়েছি সামনের বার আশা করি আরো বেশি পাবো এবং এই চাষ চাষাবাদে আর অবহেলা আর করবো না। কিন্তু কষ্টের বিষয় হলো চাষাবাদ করি কিন্তু সার টাকা দিয়েও পাচ্ছিনা। এইদিকে একটু নজর দিলে আমরা আরো ভালো থাকবো।’

রোকনুজ্জামান লালমনিরহাটের কয়েকজন বড় ব্যবসায়ের মধ্যে একজন তিনি বলছেন, ‘মৌসুমী ব্যবসায়ী হিসেবে আমরা সব কিছুই কেনাবেচা করি। গত কয়েক বছর ধরে পাটের ব্যবসা নামমাত্র করেছি। শুধু আরত কে টিকিয়ে রাখার জন্য। গত এক থেকে দেড় মাসে পাট কেনার জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এত কল পেয়েছি, যা কল্পনার বাইরে। চাহিদা বেশি হওয়াতে উচ্চ মূল্যে পাট কিনে তা দেশের বিভিন্ন জায়গার পার্টিদের সাপ্লাই দিয়েছি। ব্যবসা এরকম হলে ভালো লাগে।’

দেশের উত্তর অঞ্চলে চাষীরা বিভিন্ন জলাশয়ে সনাতন পদ্ধতিতে পাট চাষ করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিতা কাটিং পদ্ধতিতে পাট চাষ করলে পানির পরিমাণ কম লাগে । পাটের বাজার মূল্য সঠিক না পাওয়ায় কৃষকরা এই চাষাবাদে খুব একটা মনোযোগী না। সনাতন পদ্ধতির তুলনায় ফিতা কাটিং পদ্ধতিতে পানির পরিমাণ কম লাগে কিন্তু কৃষকরা ঐতিহ্যগত পদ্ধতি সহজ বিবেচনা করেন বিধায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে তাদের অনীহা প্রকাশ করেন।

পাটের আবাদ কম হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে এ অঞ্চলে সময় মতো পানির অভাবে ইদানিং কৃষকরা এই চাষাবাদে অনুপযোগী বলে মনে করছেন । মূলত তিস্তা নদীর পানির সঠিক বন্টন হয় না ফলে সেচ প্রকল্প তাতে প্রভাবিত হচ্ছে । এবং বৈশ্বিক আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত অনিয়মিত হওয়ায় পাট সহ আরও বেশ কিছু ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।