বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া অগ্রহণযোগ্য : টিআইবি

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) অগ্রহণযোগ্য। বহুল বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। এতে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) পর্যালোচনা প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:১৩

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) অগ্রহণযোগ্য। বহুল বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। এতে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ (খসড়া) পর্যালোচনা প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে টিআইবি।

বহুল বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে, এর পরিবর্তে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ইতোমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদকর্তৃক খসড়াটির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছিল সবার সঙ্গে কথা বলে আইনটি প্রণয়ন করবে। কিন্তু কেনো সেখান থেকে সরে এলো ‍বুঝতে পারলাম না। কেনো তড়িঘড়ি করা হচ্ছে তাও বোধগম্য নয়। খসড়া আইনটিতে মতামত দেওয়ার জন্য মাত্র ৩ দিন সময় দেওয়া হয়। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া বিগত সরকারের কাজের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। আইনের অনেকগুলো ধারা আগের মতোই (সাইবার সিকিউরিটি আইন) রেখে দেওয়া হয়েছে। আইনটি হয়রানির অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। আমরা চাই সবার মতামত নিয়ে আইনটি চূড়ান্ত করা হোক।

তিনি বলেন, গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আমাকে মেইল দিয়ে আজকে আইনটির বিষয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। এটাও লোক দেখানো বলতে বাধ্য হচ্ছি। না হলে সন্ধ্যায় মেইল দিয়ে কেউ পরের দিন ডাকে না!

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের বিষয়ে শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আমরা এর বিপক্ষে না. তবে একইভাবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত ছিল। খসড়ায় বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে।

সাইবার সুরক্ষা আইনটির খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন হওয়ার পরও কেনো লুকোচুরি করা হচ্ছে। কেনো এখন গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে, কেনো ওয়েব সাইটে আপলোড করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে টিআইবির পক্ষ থেকে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। এই লুকোচুরি বড় প্রশ্ন তৈরি করছে বলে মনে করছে টিআইবি।

প্রফেসর এরশাদুল করিম মালয়েশিয়া থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খসড়ার ওপর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন কোন সমস্যার মুখোমুখি হয়নি যা বিশ্ব থেকে আলাদা। সারাবিশ্ব যে ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছে বাংলাদেশও তাই। তাহলে অন্যান্য উন্নত বিশ্বের থেকে কেনো আরও কর্তৃত্ববাদী আইন করতে হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি রাষ্ট্রের মর্যাদা ও সুনামের বিষয়টি ফুটে ওঠে আইনের মাধ্যমে। সেখানে সতর্কতার সঙ্গে আইনটি প্রণয়ন করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, আইনটিতে এমন সব শব্দ যোগ করে দুর্বোধ্য করা হয়েছে, যার অনেক প্রতিশব্দ রয়েছে। আবার উপযুক্ত বাংলা থাকলেও ইংরেজি শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। আমি আইনের শিক্ষক হয়েও আইনটির পাঠোদ্ধার করতে বেগ পেতে হয়েছে। আইনের দুর্বোধ্যতার কারণে এর অপপ্রয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

এরশাদুল করিম বলেন, জনসাধরণের মতামত দেওয়ার জন্য যে খসড়া প্রকাশ করা হয়েছিল, অনুমোদন পাওয়া খসড়ায় নতুন অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা আইন প্রণয়নের সাধারণ চর্চার পরিপন্থী। বিষয়টি মানুষকে ধোকা দেওয়া ও বোকা বানানোর অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, অধ্যাদেশের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৪’ আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এখানে সাইবার সুরক্ষা শব্দগুলো ব্যবহার যথার্থ হবে না। এর নাম সাইবার বা কম্পিউটার অপরাধ অধ্যাদেশ হলে যথার্থ হবে। এতে ব্যবহৃত উপাত্ত-ভান্ডার শব্দটির যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিকর।

এতে সাইবার সুরক্ষা এজেন্সীর মহাপরিচালককে কোন কনটেন্ট ব্লক ও অপসারণ করার সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এরপর সরকারকে অবহিত করবে বলে বলা হয়েছে। শব্দগুলো অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ববর্তী সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিধানটি হুবহু এই অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়ায় অপব্যবহারের বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অনেক সরকারি ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। যেখানে অনিচ্ছাকৃতভাবেও নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে যেতে পারে। ধরেন আমি একটি পিডিএফ ডাউনলোড করতে গিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে গেলো তার দায় কার। আবার অযাচিত মেইল প্রেরণের জন্য শাস্তির কথা বলা হয়েছে, অনেক সময় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার তাদের পণ্যের জন্য মেইল করে থাকেন, সেটাও এখানে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

অধ্যাদেশে ৩০ ধারায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি যুক্ত করার উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করে এরশাদুল করিম।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা (এক্সিকিউটিভ ম্যানেজমেন্ট) প্রফেসর ড. সুমাইয়া খায়ের, ডিরেক্টর (আউটরিচ এন্ড কমিউনিকেশন) মো. তৌহিদুল ইসলাম।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।