সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নানা আয়োজনে বুটেক্সে বিজয় দিবস পালিত

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, সকল হলে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতসহ নানা কর্মসূচিতে বুটেক্সে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসের দিন […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১৪

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, সকল হলে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতসহ নানা কর্মসূচিতে বুটেক্সে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসের দিন সকাল ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা শহীদদের স্মরণে নিজেদের বক্তব্য রাখেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: জুলহাস উদ্দিন বলেন, আমি প্রথমেই ৩০ লাখ শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আর জুলাই বিপ্লবে যারা আত্মত্যাগ করেছে বা শহীদ হয়েছে তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তাছাড়া আমরা বৈষম্যহীন প্রতিষ্ঠান ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলবো। এটা করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে যে অবস্থানে আমরা আছি সেখান থেকে আমরা নিজের কাজ করবো ও দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করব। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলবো। আমি এই বিজয়ের দিনে বলতে চাই আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে আমাদের অনেক প্রত্যাশা আছে এবং সেই প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যেতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আজ বিজয় দিবসে সকল শহীদদের স্মরণ করছি ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সত্যিকার অর্থে আমরা প্রথম বিজয়ের পর দ্বিতীয় বিজয় উদযাপন করছি। ১৯৭১ সালে বিজয় অর্জন করতে পারলেও সত্যিকার অর্থে আমরা স্বাধীনতা পায়নি। জুলাই বিপ্লবের পর এটা আমাদের দ্বিতীয় বিজয় ও দ্বিতীয় স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে শুধু দেশকে স্বাধীন করা না বরং অর্থনীতি, শিক্ষা সহ আমাদের সবদিক থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে। আমাদের সত্যিকার অর্থে বিজয় লাভ করতে হবে। আর এই বিজয় লাভ করতে হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাজ শুরু করতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগর।
বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: সামিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। প্রথমেই আমি শ্রদ্ধাভরে সেই লাখো শহীদদের স্মরণ করছি যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা লাল-সবুজ পতাকা ও সোনার বাংলা পেয়েছি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের অধিকার। আরেকটা আত্মত্যাগের পরিচয় পাওয়া যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। এই আন্দোলনে শহীদদেরও আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। আর যারা অসুস্থ আছে তাদের সুস্থতা কামনা করছি। আমাদেরও সামনে একটি বড় আত্মত্যাগের সুযোগ রয়েছে। আমরা যদি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করি তাহলে এটা হবে সবচেয়ে বড় আত্মত্যাগ।
পরবর্তীতে উপস্থিত সবাই সকাল ৯ টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে এবং ১১ টায় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
বাদ যোহর সময়ে সকল হলে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা হতে
জি. এম. এ. জি ওসমানী হলের মাঠে আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়। এছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকাল ৩:৩০ ঘটিকায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে বিজয় দিবস উদযাপনের সমাপ্তি ঘটে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।