রাজধানীর বাজারে আবারও কমেছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ। চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ পাওয়ায় অনেক খুচরা দোকানে এক, দুই ও পাঁচ লিটারের বোতল মিলছে না। এর মধ্যে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো আরেক দফা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও কল্যাণপুর নতুন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ দোকানেই প্রয়োজন অনুযায়ী বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
সরবরাহ সংকটের প্রভাবে গত এক সপ্তাহে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও লিটারে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা এবং পাম তেল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
বাজারে ডিমের দামও বেড়েছে। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির কেজি প্রায় ২০০ টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের মাছের দামও চড়া রয়েছে। ফলে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।