বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধর্ষণ মামলায় মুক্তি পেয়ে ফুলের মালায় বরণ, দিলেন ‘বিচারের’ হুমকি

কাওসার আহমেদ. নাটোরের গুরুদাসপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পেয়েই ‘বিচার করার’ হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী কারাগার থেকে মুক্তির পর স্থানীয় লোকজন নিয়ে সভা করে তিনি এ বক্তব্য দেন। এদিকে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ফিরোজকে ফুলের […]

ধর্ষণ মামলায় মুক্তি পেয়ে ফুলের মালায় বরণ, দিলেন ‘বিচারের’ হুমকি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৪৯

কাওসার আহমেদ.

নাটোরের গুরুদাসপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পেয়েই ‘বিচার করার’ হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহী কারাগার থেকে মুক্তির পর স্থানীয় লোকজন নিয়ে সভা করে তিনি এ বক্তব্য দেন।

এদিকে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ফিরোজকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন তাঁর সমর্থকেরা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজশাহী কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুরে স্থানীয় লোকজন নিয়ে একটি সভায় বক্তব্য দেন ফিরোজ। সেখানে তিনি বলেন, “এই যে আমাকে সাজা দিল। দুর্নীতি কোথায় গিয়ে ঠেকেছে আপনাদের ধারণা আছে?

আমার বিরুদ্ধে মামলা দিল। চারজনের সাক্ষীতে যদি আমাকে যাবজ্জীবন জেল দেয়, তাহলে এখানে কয়েক হাজার লোক আছে, এরা তো সবাই সাক্ষী দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা কী করেছে। বিচার হবে। বিচার কিন্তু শুরু হয়েছে। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, এই নাজিরপুরের মাটিতেই বিচার হবে।”তবে কাকে উদ্দেশ্য করে তিনি এ বক্তব্য দিয়েছেন, তা বক্তব্যে স্পষ্ট করেননি।

ফিরোজ নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি নাজিরপুরের দৌলতপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

বাদীর পরিবারের অভিযোগ

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে ফিরোজ ও তাঁর লোকজন তাঁদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মামলা আপস করার জন্য টাকার প্রলোভনও দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। তবে মেয়ের সম্মানের কথা বিবেচনা করে তাঁরা মামলা চালিয়ে যান।

তিনি বলেন, আদালতের রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট ছিলেন। প্রায় ১১ মাস কারাগারে থাকার পর আপিলে জামিন পেয়ে ফিরোজ এলাকায় ফিরে এসে আবারও ‘বিচার করার’ হুমকি দিয়েছেন। এতে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

যেভাবে ঘটেছিল ঘটনা

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার একটি গ্রামের ওই ছাত্রী নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে এলে বিদ্যালয়ের ফটকের সামনে থেকে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ তাঁকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

পরে তাঁকে রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা আইনগত ব্যবস্থা নেন। পরে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ফিরোজ ও তাঁর দুই ভাইকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় মামলা করেন।

মামলার পর ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাত সোয়া ১২টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তকীতলা এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে তৎকালীন র‌্যাব-৫।

আদালতের রায়

মামলার নথি ও সরকারি কৌঁসুলির বক্তব্য অনুযায়ী, রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটির বিচার শেষে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়। আদালত ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফিরোজকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপহরণের পৃথক ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

সরকারি কৌঁসুলি মুন্সি আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং মামলার আলামত হিসেবে উপস্থাপিত ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ফিরোজকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

তিনি বলেন, রায়ের আগে ২৭ নভেম্বর ধার্য তারিখে হাজিরা দিতে গেলে ফিরোজের জামিন বাতিল করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে রায় ঘোষণার সময় তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

কারাগারের সামনে ফুলের মালা

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাজশাহী কারাগারের মূল ফটক থেকে দুই শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে ফিরোজকে নাজিরপুরে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তাঁর সমর্থকেরা ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে বরণ করেন। পরে নাজিরপুরে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন তিনি।

ফিরোজের মুক্তি ও ফুলের মালা দিয়ে বরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, “ধর্ষণ মামলার বাদীকে অন্যায়ভাবে হুমকি দেওয়া হলে অভিযোগ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।