বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

মাদক ও র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে কুবি ছাত্রদলের কর্মশালা

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি : মাদক ও র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং দক্ষ নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের হল রুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সদস্য সচিব আবুল বাশারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। এছাড়া […]

মাদক ও র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে কুবি ছাত্রদলের কর্মশালা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৪৬

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি :

মাদক ও র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং দক্ষ নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের হল রুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

সদস্য সচিব আবুল বাশারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব হারুন, ছাত্র উপদেষ্টা এবং রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

এসময় দক্ষ নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত রাখা এবং র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষক ও নেতাকর্মীরা আলোচনা করেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান বলেন,”আদর্শ ক্যাম্পাস হলো মেধা বিকাশ, চরিত্র গঠন এবং সুস্থ সামাজিক মূল্যবোধ চর্চার প্রধান কেন্দ্র। আর এই কেন্দ্রকে নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও কার্যকর রাখতে জরুরি দক্ষ নেতৃত্ব গঠন, মাদক মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।”

ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব হারন বলেন,’নেতৃত্বের প্রকৃত অর্থই হলো যেকোনো পরিস্থিতিতে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সঠিক পথ বেছে নেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমাদের প্রধান দায়িত্ব পড়াশোনা। পড়ালেখার শক্ত ভীত তৈরি করে রাজনীতি বা অন্যান্য সংগঠনে যুক্ত হওয়া উচিত।’

ছাত্র উপদেষ্টা ও রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসে মাদক এবং র‍্যাগিং নিয়ে নানারকম সংঘাত, সমস্যার তৈরি হয়, যেগুলো নিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সমস্যার মধ্যে থাকে। এসব প্রোগ্রামের মাধ্যমে দক্ষ নেতৃত্বের বিষয়ে ধারনা দিতে হবে । মাদকের যে নেশা এবং এই নেশা থেকে কিভাবে দূরে থাকা যায় তার ভয়াবহতা সম্বন্ধে আলোচনা করতে হবে। র‍্যাগিং বিরোধী এবং র‍্যাগিংয়ের ফলে কি কি সমস্যা তৈরি হয়, র‍্যাগিংয়ের বিপক্ষে আমাদের একটা সচেতনতা তৈরি করবে।’

লোক প্রসাশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন বলেন,”নেতৃত্বের অনেকগুলো ডাইমেনশন রয়েছে, এটা একটা বহুমুখী কনসেপ্ট। নেতৃত্বগুণ হচ্ছে-নেতার শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, নেতার দায়িত্ববোধ, নেতার ডিসিশন মেকিং ক্যাপাসিটি, সাধারণ ছাত্রদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বর্তমান বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে মাদক। ৮৩ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদকের সাথে সংযুক্ত। যার অধিকাংশরাই হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের। ক্যাম্পাসে আমরা বিভিন্ন গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে পাই, বিভিন্ন হলের কোন না কোন জায়গায় মাদকের কম-বেশি পাদুর্ভাব আছে।”

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল এর সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন,’আমরা ক্যাম্পাসে এসেছি পড়াশোনা করার উদ্দেশ্যে, ক্যাম্পাসে যারাই আছি সবাই শিক্ষার্থী। মাদক একটি ব্যাধি এবং মাদক একটি ক্যান্সার। এতে অসংখ্য যুবসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কোনো মাদকসেবিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কোনো ফ্যাকাল্টি বা হলের দায়িত্ব দেওয়া হবে না এবং ক্যাম্পাসকে র‍্যাগিং মুক্ত রাখতে হবে। সেজন্য ছাত্রদলের দায়িত্ব হলো এই ক্যাম্পাসের আনাচে-কানাচে সকল শিক্ষার্থীকে নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “এই কর্মশালাটি মূলত অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলকে একটি সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। সর্বপ্রথম যে বিষয়টির দিকে আমরা লক্ষ্য রাখব, সেটি হচ্ছে র‍্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস। অনেকে সাময়িক কুপ্ররোচনায় পড়ে অনেক জুনিয়রকে র‍্যাগিংয়ের নামে মানসিক টর্চার করে। এই র‍্যাগিং বন্ধ করার পাশাপাশি বর্তমানে আমাদের সমাজে এবং প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি আশঙ্কাজনক ইস্যুটি হচ্ছে মাদকের বিস্তার লাভ। আমাদের এই ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে হবে। তাহলেই একটি ক্যাম্পাস স্থিতিশীল এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে বিনির্মাণ সম্ভব।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।