রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২২ লাখের ভবন ভেঙে এক লাখে মালামাল বিক্রির অভিযোগ, জানে না সরকারি দপ্তর

নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি ভবন ব্যবহারের চার বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ধানুরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা। ভবনটি ভেঙে পাওয়া মালামাল প্রায় এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। তবে ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির […]

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২২ লাখের ভবন ভেঙে এক লাখে মালামাল বিক্রির অভিযোগ, জানে না সরকারি দপ্তর

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩১

নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি ভবন ব্যবহারের চার বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ধানুরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা।

ভবনটি ভেঙে পাওয়া মালামাল প্রায় এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।

তবে ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। এমনকি বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা না করেই প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন কাজটি করেছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

অন্যদিকে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনটি ভেঙে ফেলার বিষয়ে তাঁদের জানানো হয়নি।

গতকাল শনিবার সরেজমিনে ধানুরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ভবনটির জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। বিদ্যালয়ের মাঠের এক পাশে নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে। সেখানে আগে ইউজিডিপির অর্থায়নে নির্মিত ভবনটি ছিল। এখন ভবনটির কোনো অংশই নেই।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদ্যালয়টিতে একটি একতলা বিজ্ঞান ভবন ও দুটি টিনশেড ঘর নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউজিডিপির অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে এলজিইডি। ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটির কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ওই মাসের ১৫ তারিখে ভবনটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি বছরের জুনে ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। অথচ তখনো নতুন চারতলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। পরে ভবনের জায়গা খালি দেখিয়ে নতুন ভবনের জন্য আবেদন করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পুরোনো ভবন ভাঙার বিষয়ে কোনো দরপত্রের কথা তাঁরা জানেন না। তবে মালামাল বিক্রির সময় মাইকিং করা হয়েছিল বলে তাঁরা শুনেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, সরকারি অর্থে নির্মিত ভবন ভাঙার ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না এবং মালামালের দাম কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সভাপতি মোতালেব বলেন, ‘বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য একটি সংস্থা থেকে বরাদ্দ নিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে আবার বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। পুরোনো ভবনের মালামাল এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।’

তবে বর্তমান সভাপতি মো. রনি ইসলাম বলেন, ‘পুরোনো ভবন ভাঙার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। প্রধান শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের হিসাব-নিকাশ ও দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলেছি, কিন্তু এখনো তিনি তা বুঝিয়ে দেননি। ভবন ভাঙা বা মালামাল বিক্রির জন্য কোনো দরপত্র করা হয়েছিল কি না, সেটিও আমার জানা নেই। ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা না করেই প্রধান শিক্ষক এসব করেছেন।’

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, চারতলা নতুন ভবনের অনুমোদন পাওয়ার জন্যই পুরোনো ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম মেনে মাইকিং করে ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। তবে মালামাল বিক্রি করে পাওয়া এক লাখ টাকা কীভাবে হিসাবভুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে নতুন ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়ায়ও সময়ের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের পর চলতি মাসের ২৩ তারিখে চারতলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। ভবনটির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

গত বুধবার (২৬ আগস্ট) নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল সরকারি দপ্তর জানে না ভবনটি ভাঙার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, এলজিইডি এবং উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের কাউকেই এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।

উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের (ইউজিডিপি) কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার বলেন, ‘২০২৩ সালে ধানুরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে ভবন নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ওই ভবন ভেঙে ফেলার বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই কেন ভেঙে ফেলা হলো, ভবনটি ভাঙার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না এবং ভেঙে পাওয়া মালামাল এক লাখ টাকায় বিক্রির মূল্য নির্ধারণের ভিত্তি কী—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। এসব বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।আজিজ নতুন ভবনের প্রথম তলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।