বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উচ্ছেদের পর আবারও দখল, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন সরকারি জায়গায় নির্মাণকাজ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: একবার উচ্ছেদ করা হলেও কয়েক বছর না যেতেই আবারও দখলের চিত্র দেখা দিয়েছে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালসংলগ্ন সরকারি জায়গায়। ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী ওই এলাকায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুন্সীগঞ্জ শহরের হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে নদীর তীরবর্তী জায়গাটিতে ২০২৪ সালে অভিযান চালিয়ে […]

উচ্ছেদের পর আবারও দখল, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন সরকারি জায়গায় নির্মাণকাজ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৯

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

একবার উচ্ছেদ করা হলেও কয়েক বছর না যেতেই আবারও দখলের চিত্র দেখা দিয়েছে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালসংলগ্ন সরকারি জায়গায়। ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী ওই এলাকায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে নদীর তীরবর্তী জায়গাটিতে ২০২৪ সালে অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। উচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন জায়গাটি খোলা ছিল। নদীর পাড়ের ওই উন্মুক্ত স্থানটি পরে শহরবাসীর জন্যও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। বিকেল ও সন্ধ্যায় অনেকে সেখানে গিয়ে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতেন।

তবে সম্প্রতি সেই উন্মুক্ত জায়গাতেই আবার স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন। সরকারি জায়গায় নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হলেও তা কীভাবে কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে গেল—এ প্রশ্নও উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্মাণাধীন জায়গাটির কিছু অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। তবে মূল অংশ বিআইডব্লিউটিএর অধীন। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সরেজমিনের বাস্তবতা হলো, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও প্রশ্ন ওঠার মধ্যেই নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ফলে সরকারি সম্পত্তিতে দখলের চেষ্টা শুরু হওয়ার পরও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি জায়গা ২০২৪ সালে অভিযান চালিয়ে অবৈধ দখলমুক্ত করার পর সেখানে পুনরায় কীভাবে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ তৈরি হলো? নির্মাণকাজের জন্য কোনো বৈধ অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, হয়ে থাকলে কোন কর্তৃপক্ষ সেই অনুমতি দিয়েছে—তা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

একবার উচ্ছেদ করা সরকারি জায়গায় আবারও দখল শুরু হওয়ার ঘটনা সরকারি সম্পত্তি রক্ষার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে। কারণ দখল হয়ে যাওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার চেয়ে দখলের শুরুতেই তা প্রতিহত করা অধিক কার্যকর বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

মুন্সীগঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের ভাষ্য, নদীর তীরবর্তী এই জায়গাটি শুধু সরকারি সম্পত্তি নয়, এটি শহরের মানুষের জন্যও একটি উন্মুক্ত স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তাই জায়গাটি ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত হবে কি না, সেটি নিয়ে প্রশাসনের সুস্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব শুধু দখল হওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কোনো সরকারি জায়গায় দখলের চেষ্টা বা অবৈধ নির্মাণ শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়াও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের অংশ।

এ অবস্থায় দ্রুত সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে জায়গাটির প্রকৃত মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ, নির্মাণকাজে জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত এবং স্থাপনা নির্মাণের কোনো বৈধ অনুমতি রয়েছে কি না—এসব বিষয় স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে যদি কোনো অনুমোদন থেকে থাকে, সেটি কোন কর্তৃপক্ষ দিয়েছে এবং তা সরকারি বিধি অনুযায়ী হয়েছে কি না, তাও যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে।

সরকারি সম্পত্তি পুনরায় দখলের সুযোগ তৈরি হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে এর পেছনে কারা রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করাই এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।