সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না : মিয়া গোলাম পরওয়ার

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সরকার ব্যর্থ হলে শুধু সরকারের ক্ষতি হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো দেশ ও দেশের জনগণ। রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে […]

আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না : মিয়া গোলাম পরওয়ার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৭

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সরকার ব্যর্থ হলে শুধু সরকারের ক্ষতি হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো দেশ ও দেশের জনগণ।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৫ আগস্ট বিরোধী দলগুলোর কাছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা চেয়েছেন। সরকারের এই আহ্বানকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তবে বিরোধী দলের পরিকল্পনা নতুন করে দেওয়ার কিছু নেই, কারণ প্রায় তিন মাস আগেই তা সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, গত ২১ মে জাতীয় সংসদের জ্বালানি সংকটসংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা লিখিতভাবে ১০ দফা সুপারিশ জমা দিয়েছিলেন। ওই কমিটিতে বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্য ছিলেন, যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর তিনজন সদস্যও ছিলেন। তারা দুটি বৈঠকে অংশ নিয়ে সংকটের কারণ ও সমাধান নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে ৭ জুন জ্বালানিমন্ত্রী ওই কমিটির প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, বিরোধী দলের দেওয়া সুপারিশগুলো ছিল বাস্তবভিত্তিক। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে বিদ্যমান কূপে ওয়ার্কওভার, ভোলা, জামালপুর ও জকিগঞ্জের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা, স্থল ও সমুদ্রভাগে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার, স্থাপিত এসপিএম দ্রুত চালু করা এবং ডিপো থেকে গ্রাহক পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব ছিল।

এ ছাড়া কার্যকর নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে রুফটপ সোলারের ব্যবহার বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা নির্ধারণে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করার সুপারিশও দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এখন মূল প্রশ্ন নতুন পরিকল্পনা আছে কি না, তা নয়। বরং ২১ মে সরকারের হাতে দেওয়া ১০ দফা সুপারিশের কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, কোন সুপারিশের কাজ শুরু হয়েছে এবং কোনগুলো এখনও কাগজে পড়ে আছে—সেটিই জনগণের সামনে পরিষ্কার করা দরকার।

তিনি আরও জানান, গত ১৪ আগস্ট জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জ্বালানি সংকট নিরসনে জাতীয় সংসদের জরুরি অধিবেশন আহ্বানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছেন। চিঠির একটি অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও দেওয়া হয়েছে।

‘আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না’

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, তারা সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চান না। কারণ জ্বালানি সংকটে সরকার ব্যর্থ হলে এর প্রভাব শুধু সরকারের ওপর পড়বে না, বরং দেশের সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতিকেও ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটে সেই মা ক্ষতিগ্রস্ত হন, যিনি সকালে রান্নার চুলা জ্বালাতে পারেন না। উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হন, সময়মতো পণ্য উৎপাদন বা রপ্তানি করতে না পারলে উদ্যোক্তারা ক্ষতির মুখে পড়েন। এর সামগ্রিক প্রভাব পড়ে দেশের অর্থনীতিতে।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও সমালোচনা থাকলেও জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নে কার্যকর সমাধান দেওয়ার প্রতিযোগিতা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে কে বেশি স্বচ্ছ এবং জনগণের কাছে বেশি জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করতে পারে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের দেওয়া পরিকল্পনা সরকারের কাছেই রয়েছে এবং তা আবারও সামনে তুলে ধরা হলো। এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে, বাস্তবায়ন শুরু করবে নাকি নতুন পরিকল্পনা ও নতুন কমিটির অপেক্ষায় থাকবে।

তিনি বলেন, ৯০ দিন পর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে হিসাব চাওয়া হবে। এটি সরকারকে বিব্রত করার জন্য নয়, বরং দেশের মানুষের স্বার্থে। একই সঙ্গে সরকার যদি দেশের স্বার্থে কার্যকর, স্বচ্ছ ও বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ নেয়, তাহলে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী সহযোগিতা করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩