সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের নাজরান বিমানবন্দরের একটি সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে সফল ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। গোষ্ঠীটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, একটি ড্রোন ব্যবহার করে সৌদি আরবের নাজরান বিমানবন্দরের ওই শত্রুভাবাপন্ন অবস্থানে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে আঘাত হেনে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
হুথিরা দাবি করেছে, ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সৌদি বাহিনী ড্রোন পরিচালনা করার প্রতিবাদেই মূলত এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই হামলার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
হুথিদের এমন দাবির মধ্যেই সৌদি আরব ও ইয়েমেনের এই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের জাহাজে হামলা এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে দাবি করেছেন, একটি ড্রোনের মাধ্যমে নাজরান বিমানবন্দরের সৌদি মালিকানাধীন একটি ‘সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, ড্রোনটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ইয়াহিয়া সারে আরও বলেন, সৌদি আরব ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের সায়াদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় জবাব হিসেবে নাজরান বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে হুথিরা জানিয়েছে, বিমানবন্দরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয় এবং ড্রোনটি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় হুদাইদাহ প্রদেশে প্রাণঘাতী ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জন্য হুথিদের দায়ী করেছে। সোমবারের ওই বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হুদাইদাহভিত্তিক সরকারের অভিযোগ, হুথিদের ব্যাপক ও নির্বিচারভাবে মাইন পুঁতে রাখার কারণে ওই অঞ্চলটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এএফপি, আনাদোলু
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?