ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর সমালোচনা করেছেন। লোকসভায় প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে নতুন আইন নিয়ে আলোচনায় তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যত শিক্ষামন্ত্রীর নয়, আরএসএসের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আরএসএসকে শিক্ষার্থীদের ‘আসল শত্রু’ বলে মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, বিতর্ক চলাকালে রাহুল বলেন, সমাজে একদল মানুষ সবসময় নতুন কিছু শিখতে ও সত্যের অনুসন্ধান করতে চায়, আর অন্য একটি দল মনে করে তারা সবই জানে। এ সময় তিনি একটি শব্দ ব্যবহার করলে সরকারপক্ষের সদস্যরা আপত্তি জানান। সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং এনডিএ জোটের সদস্যরা ওই শব্দ প্রত্যাহারের দাবি জানান। পরে স্পিকার ওম বিড়লা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে শব্দটি বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বক্তব্যে রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের সত্য ও জ্ঞানের অনুসন্ধান থেকে দূরে সরিয়ে কল্পিত ইতিহাস শেখানো হচ্ছে। তার ভাষায়, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কেবল একটি ‘মুখ’; প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ করছে আরএসএস।
এ সময় গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের হামলার প্রসঙ্গও তোলেন রাহুল। তিনি অভিযোগ করেন, ওই হামলার নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দিয়েছিলেন। তার এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কিরেন রিজিজু অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন এবং বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
জবাবে রাহুল বলেন, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এত বড় মাত্রায় বলপ্রয়োগের অনুমতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়া অন্য কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে স্পিকার ওম বিড়লা তাকে স্মরণ করিয়ে দেন, সংসদে কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ করা সংসদীয় বিধির পরিপন্থি।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?