শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শত শত ট্রলারে জমে উঠেছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাটের হাট

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় বাজারে বর্ষা মৌসুম এলেই জেগে ওঠে প্রায় দুই শতকের ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পাটের হাট। পদ্মা নদীর বুকে সারি সারি ট্রলারে সাজানো থাকে সোনালি আঁশের পাট। ভোরের আলো ফুটতেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি শরীয়তপুর, চাঁদপুর, ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ট্রলারভর্তি পাট নিয়ে হাজির হন এই হাটে। ট্রলারের ওপর […]

শত শত ট্রলারে জমে উঠেছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাটের হাট

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ জুলাই ২০২৬, ২০:২৮

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় বাজারে বর্ষা মৌসুম এলেই জেগে ওঠে প্রায় দুই শতকের ঐতিহ্যবাহী ভাসমান পাটের হাট। পদ্মা নদীর বুকে সারি সারি ট্রলারে সাজানো থাকে সোনালি আঁশের পাট।

ভোরের আলো ফুটতেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি শরীয়তপুর, চাঁদপুর, ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ট্রলারভর্তি পাট নিয়ে হাজির হন এই হাটে। ট্রলারের ওপর দাঁড়িয়েই চলে দরদাম, কেনাবেচা ও পাট তোলা-নামানোর ব্যস্ততা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই ভাসমান হাট আজও তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। প্রতি বছর জুনের মাঝামাঝি থেকে প্রায় তিন মাস ধরে সপ্তাহে দুই দিন—শুক্রবার ও সোমবার—এ হাট বসে।

প্রতিটি হাটে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার মণ পাট বিক্রি হয়। পাটের মান অনুযায়ী প্রতি মণের দাম থাকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। ফলে প্রতি হাটেই এক কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার সকালে হাট ঘুরে দেখা যায়, পদ্মা নদীতে শতাধিক ট্রলার নোঙর করে আছে। কোথাও কৃষক পাট নামাচ্ছেন, কোথাও আবার পাইকাররা পাটের আঁশ পরীক্ষা করে দরদাম করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতার কোলাহলে নদীর পাড় যেন এক প্রাণচঞ্চল বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

শরীয়তপুরের কাঁচিকাটা এলাকার পাটচাষি সবুজ দেওয়ান বলেন, “আমাদের পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে এই হাটে পাট বিক্রি করে আসছে। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে এখানে আসতাম। এখন নিজেই পাট নিয়ে আসি। অন্যান্য বাজারের তুলনায় এখানে ভালো দাম পাওয়া যায় বলেই প্রতি বছর আসি।”

রাজাবাড়িচর এলাকার কৃষক মাসুদ হালদার জানান, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও এ বছর পাটের বাজার তুলনামূলক ভালো। তিনি এদিন ১২ মণ পাট প্রতি মণ ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছেন।

মুন্সীগঞ্জের পাটচাষি ও ব্যবসায়ী দাদন খালাসী বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি হাটে পাটের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো দাম মিলছে। নিজের উৎপাদিত পাটের পাশাপাশি অন্য কৃষকদের কাছ থেকে কিনেও তিনি বিক্রি করছেন।

নারায়ণগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ী শাহাদাত বেপারী বলেন, উন্নত মানের পাটের দাম এবার ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। মাঝারি মানের পাট ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং নিম্নমানের পাট ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় কেনা হচ্ছে। ভালো দামের কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ী—উভয়েই লাভবান হচ্ছেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থেকে বাবার সঙ্গে পাট কিনতে আসা তরুণ ব্যবসায়ী রিফাত বলেন, “এটি আমাদের পারিবারিক ব্যবসা। ভাসমান এই হাটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ট্রলার থেকেই পাট কিনে সরাসরি নৌপথে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো যায়। এতে পরিবহন খরচ ও সময় দুটোই কম লাগে।”

দিঘিরপাড় বাজার পরিচালনা কমিটির এক সদস্য জানান, প্রায় ২০০ বছরের এই ঐতিহ্যবাহী হাটকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের আবেগ ও গর্ব জড়িয়ে আছে। বাজার কমিটি দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, দিঘিরপাড়ের ভাসমান পাটের হাট শুধু একটি বাণিজ্যকেন্দ্র নয়, এটি এ অঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আধুনিকতার যুগেও শতবর্ষের এই হাট আজও কৃষক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষের জীবিকার অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক হয়ে টিকে আছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।