নীলফামারীর ডিমলায় বিয়ের মাত্র একদিন পরই আব্দুল মালেক (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ মিলেছে। লাশ দেখতে এসে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তার মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।
বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদে লাশটি পাওয়া যায়। আব্দুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সাথে আব্দুল মালেককে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে লাশ দেখতে এসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। হৃদরোগের আক্রান্ত হয়ে
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিয়ের মাত্র একদিন পর মালেক আত্মহত্যা করেছেন। একই সাথে ভাগনের মৃত্যুর শোকে মামা আহিদুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টিও অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মুয়াজ্জিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।