ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান এবং রাজধানী তেহরানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি প্রচারিত হচ্ছে।
এসব দাবিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন, একাধিক স্তরের তল্লাশি এবং যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
প্রচারিত তথ্যে আরও বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট এবং জরুরি চিকিৎসা দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিদেশি প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
এদিকে, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে বর্ণিত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনসংক্রান্ত তথ্য স্বাধীনভাবে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সূত্রে নিশ্চিত নয়। প্রকাশের আগে বিষয়টি বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা উচিত।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?