সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি এখনো জাতির কাছে অমলিন। তরুণদের আত্মত্যাগ ও আহতদের বেদনা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। তবে তিনি দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা ছিল, তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১০ জুলাই ঢাকায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের নেতৃত্বে গণমিছিল, ১৮ জুলাই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ পালন, ১৯ জুলাই ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভা এবং ৫ আগস্ট ‘স্বৈরাচার পতন দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে গণমিছিল।
এ ছাড়া পুরো জুলাই মাসজুড়ে শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের পদযাত্রা, ‘দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই’ শীর্ষক সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, গ্রাফিতি অঙ্কন ও দেয়াল লিখন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে দেশব্যাপী ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী এবং জুলাইয়ের সংগ্রাম ও গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।