রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে বললেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলমান খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে প্রকল্পের ধীরগতি ও ত্রুটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। শনিবার (৪ জুলাই) তদন্ত কমিটির সদস্যদের নিয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা তার কাছে তুলে ধরেন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে সড়কের পাশে স্লুইস গেটের সামনে বাঁধ দিয়ে পানি […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৭

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলমান খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে গিয়ে প্রকল্পের ধীরগতি ও ত্রুটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। শনিবার (৪ জুলাই) তদন্ত কমিটির সদস্যদের নিয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা তার কাছে তুলে ধরেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে সড়কের পাশে স্লুইস গেটের সামনে বাঁধ দিয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকার বিষয়টি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। কেডিএ কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যায় অসন্তুষ্ট হয়ে প্রকল্প পরিচালকের উদ্দেশে বলেন, “আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়? পানি বের হওয়ার জন্য রাস্তা তৈরি করেছ, পানি ঢুকতে না পারে বলে স্লুইস গেট বসিয়েছ, আবার তার সামনেই বাঁধ দিয়ে রেখেছ। এর মানে কী?” পরে তিনি সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

কেডিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে একনেক সভায় ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প অনুমোদন পায়। পরে ২০২০ সালে দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ২৫৯ কোটি টাকা করা হয়। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ব্যয় ২৮০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব একনেকে উত্থাপন করা হলেও তা অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্পের বিলম্ব, বর্তমান অবস্থা ও কাজের মান যাচাইয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের নাসিমুল গনি বলেন, কেন প্রকল্পটি এত বছরেও শেষ হয়নি, বর্তমান অগ্রগতি এবং কাজের মান খতিয়ে দেখা হয়েছে। দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরে তিনি খুলনা সার্কিট হাউসে ‘শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সভায় অংশ নেন। সভায় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।