নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনোও কোনোও স্থানে আমরা দেখছি সরকারি দলের এমপিরা যা বরাদ্দ পাচ্ছে বিরোধীদলের এমপিরা তা পাচ্ছেন না। এটা হতে পারেনা।
আমরা আগেও দেখেছি এমন বৈষম্য হতে, এখন তা মেনে নেওয়া হবে না। সরকার উন্নয়নে বৈষম্য করলে প্রয়োজনে বাঘের গর্জন করা হবে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে নেত্রকোনা সার্কিট হাউজের মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, নেত্রকোনার কথাই ধরেন, এখানে যা উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। এখানে সাদামাটির পাহাড় রয়েছে, সিলিকন বালি আছে। কিন্তু কোনো কলকারখানা নেই। সরকারের পাশাপাশি উন্নয়নে জেলা ও বাইরের লোকজনও এখানে শিল্প কারখানা করতে পারেন।
বিরোধী দলীয় নেতা আরও বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়ন প্রকল্প গুলি গুই সাপের গতিতে প্রথম নয় মাসে মাত্র ৪০-৪২ ভাগ বাস্তবায়ন হয়। কিন্তু শেষে এক দেড় মাসে তড়িঘড়ি করে কোনরকম কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়।
বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় জুলাই থেকে জুন অর্থবছর ধরা হয়। এটিকে পরিবর্তন করে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর করার জন্য জাতীয় সংসদে আমরা উত্থাপন করেছি। সংসদে এ ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত না হলেও সরকারি দলের সাংসদদের টেবিলে হাত চাপিয়ে সমর্থন করার দৃশ্য দেখেছি। যদি এটি এবার বাস্তবায়ন না হয় পরবর্তীতে আমরা আবার সংসদে উত্থাপন করব।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ছাদেক আহমাদ হারিছ এর সভাপতিত্বে ও জেলা সহকারী সেক্রেটারী জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল টিম সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন, নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফা। পরে জামায়াত আমীর জেলা পাবলিক হলে ষান্মসিক রুকন সম্মেলনে যোগ দেন।