ফাঁস হওয়া একটি গোপন কূটনৈতিক নথিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট প্রকাশিত ওই নথিতে ২০২২ সালের মার্চে পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত আসাদ মাজিদ খান ও মার্কিন কূটনীতিক ডোনাল্ড লুর মধ্যকার কথোপকথনের বিস্তারিত উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে ইমরান খানের নিরপেক্ষ অবস্থান এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে পাকিস্তানের ভূমি ব্যবহার করতে না দেওয়ায় ওয়াশিংটন তার সরকারের ওপর অসন্তুষ্ট ছিল। ফাঁস হওয়া নথিতে ডোনাল্ড লু নাকি ইঙ্গিত দেন, অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খানকে সরানো হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
ইমরান খান দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করায় যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক শক্তি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। তবে ওয়াশিংটন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।
২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর ইমরান খান বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি হন। পরবর্তীতে তার দল পিটিআইও নানা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপে পড়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, ফাঁস হওয়া এই নথি পাকিস্তানের রাজনীতি, সামরিক বাহিনী ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?