বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে […]

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে দলেরই হোক, আমার আত্মীয় হলেও তাকে গ্রেফতার করেন। এমপির নির্দেশ দিলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতার করতে গড়িমসি করেছে। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ইমামের মেয়েকে নিয়ে অপহরণকারীর সঙ্গে প্রেমঘটিত নাটক ওসি সাজিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা গাফিলতি করেছে ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদের প্রত্যাহার চাই। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই লাল চাঁনেরও প্রত্যাহার চাই। তাদের কাছে আমাদের এই মামলা থাকা নিরাপদ মনে করি না। ওসি এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করতে হবে।’

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি মসজিদের ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় উপজেলা হেফাজতে ইসলামের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মুফতি শামীম আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে আমাদের মাওলানা সফিকুল ইসলাম রহমানি মাওনা চৌরাস্তায় শ্রীপুর উপজেলা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের সভাপতি কাজল ফকিরের সামনে বসা ছিল। ওই মুহূর্তে ওসি কাজল ফরিকেরকে ফোন দিয়ে বলে দেয় আপনার ছেলেকে সরিয়ে রাখেন। একজন ওসি কি এ কাজ করতে পারে? ওসি সাহেব ছুটতে থেকে এ কথা বলেছে। এ জন্য আমরা যথাসম্ভব তাদের (থানা পুলিশের) সহযোগিতা পাই নাই। আমরা তাদের প্রত্যাহার চাই। শ্রীপুর থানা থেকে তাদের প্রত্যাহারসহ বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ওসির বিচার চাই। আমরা গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সাহেবকেও বলেছি। শ্রীপুরের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আমরা আন্দোলনের ঘোষণা দেবো।’

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘আপনারা জানেন আমার মেয়ে ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে। আমার মেয়ে দুপুর ১টা বেজে গেলেও যখন বাসায় আসতেছে না তখন মেয়ের সহপাঠীদের কাছ থেকে জানতে পারলাম মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাকে (১৬) প্রধান আসামি আবিদ ধরে নিয়ে গেছে। আমার মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিট পর ওসি সাহেব ফোন দিয়ে বলে, আমার ফোর্স গেছে? তখন আমি বললাম, স্যার আপনার ফোর্সের দরকার নাই। আমার যা নেওয়ার সব নিয়ে গেছে, আমার কলিজা নিয়ে গেছে। আমার দেহ আছে, আপনার ফোর্স পাঠান আমার দেহের পোস্টমর্টেম করুক। পরে আমার সহকর্মী মুফতি-মাওলানাদেরকে নিয়ে থানায় গেলে ওসি টালবাহানা করে। পরে মুফতি শামীম ভাইয়ের মোবাইল দিয়ে এমপি মহোদয় ওসির সঙ্গে কথা বলেন। এমপি মহোদয় ওসি সাহেবকে কঠিনভাবে বলার পরও ওই রাতে আমার মেয়ে উদ্ধার হয় নাই। রাত ৯টার দিকে আমার মামলা নিলেন। দুইদিন পার হওয়ার পর যখন জানতে পারলাম, অপহরণকারী আসামি আবিদকে সহযোগীতাকারী এবং অপহরণে নেতৃত্ব দেওয়া পাপ্পু এবং সোহান ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তখন আমি প্রত্যেক নেতাকর্মীদের কাছে গিয়ে অনুরোধ করি। তাদের দুই জনকে (পাপ্পু এবং সোহান) চাপ দিলে আমার মেয়ে উদ্ধার হবে।’
তিনি বলেন, ‘তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে দেখা হয় শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেবের সঙ্গে। তখন উপস্থিত শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহজাহান সজলের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনে তিনি বিস্মিত হয়ে বললেন সজল কী বলো? ঘটনার সময় তুমি উপস্থিত থাকতে এ ঘটনা ঘটালো কীভাবে? তখন তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার হওয়া দরকার। আগে মেয়েটাকে উদ্ধার করেন। পরে ওসি সাহেবের কাছে এলেই তিনি বলেন, এটা প্রেমঘটিত।’

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের তৎপরতার কারণে থানা পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। এক ঘণ্টা পর থানায় গিয়ে ওসির (তদন্ত) কক্ষে মেয়ে আমাকে দেখে বলে, বাবা তুমি এদেরকে বাঁচাইয়া দেও, অভিযোগ উঠিয়ে নেও। আমি তোমার লগে চইলা যামু। তখন আমি মেয়েকে বলি তুমি আর ভয় পাইও না দেশের সমস্ত মানুষ তোমার সঙ্গে আছে। পরে আদালতের মাধ্যমে আমার মেয়েকে আমার কাছে বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমার মেয়ের নামে যে সমস্ত প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে এগুলো কিছু হলুদ মিডিয়া বিভিন্নভাবে সত্যকে অসত্য হিসেবে নানাভাবে প্রচার করছে। আমার মেয়ের জবানবন্দিতে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমি দ্রুত তাদের গ্রেফতার দাবি করছি। শ্রীপুর থানার ওসি তৎপর হলে আমার মেয়ে চারদিন পর উদ্ধার হয় না। ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদকে প্রত্যাহার করা হোক এবং আমার মামলা সুষ্ঠুভাবে সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে দেওয়া হোক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও ওসি বিভিন্নভাবে প্রবাহিত করেছে ওসি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি মাছুদুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসেন, বাগমারা জান্নাতুল আতফাল মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি কাজী মঈন উদ্দিন, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, শ্রীপুর পৌর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আবু নাছের মোহাম্মদ জুবায়ের, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।